সোমবার | ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ | ১৩ ফাল্গুন, ১৪৩০

দুই প্রজন্মের পরিসমাপ্তি…

ইমাম হাসান মুক্তি।।
২০২১ সালে ৪ এপ্রিল আমার ছোট চাচা একরাম আলীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে আমাদের পরিবারের দুই প্রজন্মের পরিসমাপ্তি ঘটেছে। পরিবারের বড় সন্তান হিসেবে এখন আমিই বর্তমান প্রজন্মের জেষ্ঠ্য অসনে অবস্থান করছি। তার মানে বর্তমান প্রজন্মের যাত্রা শুরু আমাকে দিয়ে। সেই মানসিক প্রস্তুতির আলোকে বিগত দুই পুরুষের স্মৃতিচারণ করছি।
২০০২ সালের ২০ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন আমার দাদা ইয়াজ উদ্দিন প্রামানিক (৮৮)। পিতা মরহুম গোরিবুল্লাহ প্রামানিক ও মাতা মরহুম খাতিমন নেছা। স্ত্রী মরহুম বদন/মরহুম ফাতেমা খাতুন। তাঁদের সন্তান ইসহাক আলী, ইউসুফ আলী, ইদ্রিস আলী বাদল ও একরাম আলী একা। ব্রিটিশ আমলে ডাক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। চাকরী থেকে ১৯৭৪ সালে অবসর গ্রহণ করেন। দাদার একমাত্র ভাই ছিলেন আব্দুল জব্বার ও বোন খুকিজান বেগম।
২০১৫ সালের ১১ ডিসেম্বর কলারোয়া উপজেলার একটি মসজিদে সুবহে সাদিকের সময় ইন্তেকাল করেন আমার বাবা হাজি ইসহাক আলী (৭১)। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে চাকরী জীবন শেষ করেন। প্রায় কুড়ি বছর লালপুর থানা কেন্দ্রীয় মসজিদ ও হাফেজিয়া মাদ্রাসা পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে তাঁর উপস্থিতি ছিল নন্দিত। সব সময় প্রগতিশীল ও সৃষ্টিশীল কাজে তাঁর অনুপ্রেরণা, সহযোগিতা ও সমর্থন ছিল।
১৯৮৯ সালের ৫ মে মরণব্যাধী ক্যান্সারে মৃত্যুবরণ করেন মেজ চাচা ইউসুফ আলী (৪০)। তিনি ঢাকা পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি)-এর একজন কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি বিভিন্ন সেবামূলক কাজ করেন।
২০২০ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ভোর সাড়ে ছয়টায় তৃতীয় চাচা হাজি ইদ্রিস আলী বাদল (৬৫) ইন্তেকাল করেন। রাত ৯টায় রামকৃষ্ণপুর ঈদগাহ মাঠে মরহুমের জানাজার নামাজ শেষে বালিতিতা ইসলামপুর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
২০২১ সালের ৪ এপ্রিল ভোর তিনটার দিকে ছোট চাচা একরাম আলী একা (৫৯) করোনা পজিটিভ নিয়ে ইন্তেকাল করেন। ঢাকায় বিদুৎ বিভাগে কর্মরত চাচা করোনা পজিটিভ হওয়ার পর কোন হাসপাতালে বেড খালি না থাকায় মোহাম্মদপুরের বাসায় মারা যান। ওই দিন বাদ যোহর জানাজা শেষে মোহাম্মদপুর কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৩)
Developed by- .::SHUMANBD::.