বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২

শিরোনাম
নাটোরে জিয়া মঞ্চের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আখের অভাবে বন্ধ হলো নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে আখ মাড়াই সরকারি জমিতে থেকে অবৈধ ভবন উচ্ছেদ করল প্রশাসন নরনেসুমিতে শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পূর্ণ সভাপতি মানিক, সম্পাদক পিন্টু প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কীটনাশক স্প্রে মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে,মাদকাসক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না —— নব নির্বাচিত আব্দুল আজিজ এমপি আমার সাথে দেখা করবে না সমস্যা আছে” রেজাল্টের পর শিক্ষার্থীর আত্নহনন, শিক্ষকের স্কিনশর্ট ভাইরাল একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার-প্রধানমন্ত্রী মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে লালপুরে জামায়াতের শোভাযাত্রা

নাটোর মুক্ত দিবস

নাটোর প্রতিনিধি :
২১ ডিসেম্বর নাটোর মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। নাটোরের মানুষ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের স্বাদ পায় ১৬ ডিসেম্বরের চারদিন পর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নাটোরে বড় ধরনের কোন লড়াই না হলেও একাধিক স্থানে চালানো হয় গণহত্যা। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাক হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদররা নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী, ফতেঙ্গাপাড়া, মোহনপুর, লালবাজার, কাপুড়িয়াপট্টি, শুকলপট্টি, মল্লিকহাটি, বড়াইগ্রামের বনপাড়া ক্যাথলিক মিশন, গুরুদাসপুরের নাড়িবাড়ি, সিংড়ার হাতিয়ান্দহ, কলম এবং লালপুর উপজেলার গোপালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলসহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালায়।
৭১ সালের ৪ জুন নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী গ্রামের গণহত্যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে পাকসেনাদের আত্মসমর্পনের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হলেও নাটোরে এর চারদিন পর ২১ ডিসেম্বর বিজয় আসে। একাত্তরে নাটোর ছিল পাকসেনাদের ২নং সামরিক হেডকোয়াটার। তৎকালীন সিও অফিসে (বর্তমানের ইউএনও অফিস) পাকসেনাদের সামরিক হেডকোয়াটার স্থাপন করা হয়। ফলে ১৬ ডিসেম্বর থেকে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে পাকসেনারা নাটোরে এসে জড়ো হতে থাকে।
নাটোর পিটিআই স্কুল, আনসার হল, রিক্রিয়েশন ক্লাব, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা কলেজ, নাটোর রাজবাড়ি, দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি চত্বরের (উত্তরা গণভবন) ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া পাকসেনারা মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করলেও নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি চত্বরে আত্মসমর্পনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ২০ ডিসেম্বর গভীর রাত পর্যন্ত। ফলে ২১ ডিসেম্বর নাটোর পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হয়।
আত্মসর্মপন অনুষ্ঠানে পাকসেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার নওয়াব আহমেদ আশরাফ মিত্রবাহিনীর ১৬৫ মাউনটেন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার রঘুবীর সিং পান্নুর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পন করেন। এদিন পাকিস্থাানি বাহিনীর ১৫১ অফিসার, ১৯৮ জন জেসিও, ৫৫০০ সেনা, ১৮৫৬ জন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য এবং ৯ টি ট্যাংক, ২৫ টি কামান ও ১০ হাজার ৭৭৩টি ছোট অস্ত্রসহ আত্মসমপর্ন করে।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.