| |

শিরোনাম
বড়াইগ্রামে সালিশী বৈঠকে ইউপি চেয়ারম্যানকে শারীরিকভাবে লাঞ্চিত প্রেমের ফাঁদে ফেলে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ, টাকা দাবি লালপুরে ভূমি অফিস-ইউপি কার্যালয়ে আবারও চুরি, ৯ মাসে ৫ দপ্তরে হানা মেয়ে সেজে ইতালি প্রবাসীকে বিয়ে, বাবা – ছেলে আটক বড়াইগ্রামে নিখোঁজের ৫ দিন পর পরিবহন শ্রমিকের লাশ উদ্ধার জাতীয় পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণী শিক্ষক’ নির্বাচিত হয়েছেন সেন্ট যোসেফসের অধ্যক্ষ শংকর ডমিনিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সম্মেলনে ‘বেস্ট পোস্টার প্রেজেন্টার’ বাউয়েটের শিক্ষার্থী বড়াইগ্রামে যথাযোগ্য মর্যাদায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপন বিদ্যুৎ উৎপাদনের দ্বারপ্রান্তে রূপপুর: অভিযোগের নথিভিত্তিক জবাব দিল এনপিসিবিএল বড়াইগ্রামে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রকৌশলী শামসুদ্দিন আর নেই

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরের কৃতী প্রকৌশলী এ কে এম শামসুদ্দিন (৯০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (৮ জানুয়ারি ২০২২) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, পাঁচ মেয়েসহ অসংখ্যগুণগ্রাহী রেখে যান। রোববার (৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলার নিমতলী গ্রামে ১৯৩৯ সালের ২৬ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এ কে এম শামসুদ্দিন। পিতা মরহুম বশারত উল্লা।
তিনি ১৯৬১ সালে তৎকালীন আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) হতে যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগে বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৬১ সালে তিনি ওয়াপদা (পাওয়ার)-এ সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৭-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন। ১৯৭৬ সালে বৃটিশ সরকারের বৃত্তিতে বিদ্যুৎ বিতরণ বিষয়ে ইংল্যান্ডে এক বছরের উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৮১ সালে তিনি বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই মাসের প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রকৌশল উপদেষ্টা ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ইংল্যান্ড, রাশিয়া, আমেরিকা, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, ভারত, জার্মনী, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের ফেলো ও বিশ্ব ব্যাংকের ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউশনের অনারারী ফেলো ছিলেন।
সমাজসেবক হিসেবে তিনি লালপুরে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতা পরবর্তীতে নদীগর্ভে বিলীন ৩০টি গ্রামের মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তার স্বাক্ষর রাখেন।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.