বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২

শিরোনাম
নাটোরে জিয়া মঞ্চের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আখের অভাবে বন্ধ হলো নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে আখ মাড়াই সরকারি জমিতে থেকে অবৈধ ভবন উচ্ছেদ করল প্রশাসন নরনেসুমিতে শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পূর্ণ সভাপতি মানিক, সম্পাদক পিন্টু প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কীটনাশক স্প্রে মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে,মাদকাসক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না —— নব নির্বাচিত আব্দুল আজিজ এমপি আমার সাথে দেখা করবে না সমস্যা আছে” রেজাল্টের পর শিক্ষার্থীর আত্নহনন, শিক্ষকের স্কিনশর্ট ভাইরাল একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার-প্রধানমন্ত্রী মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে লালপুরে জামায়াতের শোভাযাত্রা

প্রকৌশলী শামসুদ্দিন আর নেই

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরের কৃতী প্রকৌশলী এ কে এম শামসুদ্দিন (৯০) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (৮ জানুয়ারি ২০২২) সন্ধ্যায় রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে, পাঁচ মেয়েসহ অসংখ্যগুণগ্রাহী রেখে যান। রোববার (৯ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
উপজেলার নিমতলী গ্রামে ১৯৩৯ সালের ২৬ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন এ কে এম শামসুদ্দিন। পিতা মরহুম বশারত উল্লা।
তিনি ১৯৬১ সালে তৎকালীন আহসান উল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়) হতে যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগে বিএসসি (ইঞ্জিনিয়ারিং) ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৬১ সালে তিনি ওয়াপদা (পাওয়ার)-এ সহকারী প্রকৌশলী হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৬৭-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন। ১৯৭৬ সালে বৃটিশ সরকারের বৃত্তিতে বিদ্যুৎ বিতরণ বিষয়ে ইংল্যান্ডে এক বছরের উচ্চতর প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৮১ সালে তিনি বিশ্ব ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় দুই মাসের প্রশিক্ষণ নেন। ১৯৮৩ সালে তিনি সুপারিনটেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি প্রকৌশল উপদেষ্টা ও ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি ইংল্যান্ড, রাশিয়া, আমেরিকা, পাকিস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, চীন, ভারত, জার্মনী, ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন। বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্সটিটিউশনের ফেলো ও বিশ্ব ব্যাংকের ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট ইন্সটিটিউশনের অনারারী ফেলো ছিলেন।
সমাজসেবক হিসেবে তিনি লালপুরে বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখেন। স্বাধীনতা পরবর্তীতে নদীগর্ভে বিলীন ৩০টি গ্রামের মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে কাজ করেন। এছাড়া বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়নে সহায়তার স্বাক্ষর রাখেন।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.