শুক্রবার | ১৩ মার্চ, ২০২৬ | ২৮ ফাল্গুন, ১৪৩২

শিরোনাম
লালপুরে জামায়াতের ইফতার মাহফিল ‘ঢাকাস্থ নাটোর জেলা সমিতি’র নতুন কমিটি গঠন বড়াইগ্রাম উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ‘প্রতিটি উন্নয়ন আমি মাথায় করে আপনাদের জন্য নিয়ে আসবো’-প্রতিমন্ত্রী পুতুল বড়াইগ্রামে মহাসড়কের পাশে অজ্ঞাত ব্যক্তির রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার বাঘায় সিএনজি ও ভটভটি গাড়ির মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ গেল ৩ রূপপুর এনপিপি দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী লালপুরে জ্বালানি তেল ও এলপিজি গ্যাস ন্যায্যমূল্যে সরবরাহে বাজার তদারকি জোরদার বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের রাজশাহী বিভাগীয় কমিটি গঠন, সভাপতি ইমাম হাসান, সাধারণ সম্পাদক হাফিজ বগুড়ায় সাংবাদিক আব্দুল হালিম স্মরণে স্মরণসভা ও ইফতার

ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরে শিশুকে ধর্ষণ মামলায় মো. শাহানুর (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর ২০২৩) শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলার ১৯ বছর পর নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মো. শাহানুর লালপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ১৯ বছর আগে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামি মো. শাহানুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (৩০ বছর) ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী ব্যক্তিকে দেওয়ারও নির্দেশ দেন বিচারক।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১২ জুলাই রাত ৯টায় লালপুরের তরুণ মো. শাহানুর ১২ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। শিশুটির চিৎকারে মা-বাবা ছুটে এলে সে ঘটনার কথা তাঁদের জানান। শিশুটির বাবা ২৬ জুলাই নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মো. শাহানুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে লালপুর থানাকে দায়িত্ব দেন। থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরই মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে আসে। কিন্তু সাক্ষীরা আদালতে আসতে গড়িমসি করেন। ১৯ বছরে মাত্র ৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
আদালতের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি আনিসুর রহমান বলেন, বাদী মামলাটি করার পর দীর্ঘদিন আদালতে হাজির হননি। অন্যান্য সাক্ষীদের সময়মতো আদালতে আনতে পারেননি, তবে চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণে আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি মো. শাহানুরকে দণ্ড দিয়েছেন। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.