
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ঐতিহ্যবাহী রাজশাহী কলেজের ১৫৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।
হিরণ¥য় ঐতিহ্যের স্মারক রাজশাহী কলেজে এ উপলক্ষে বুধবার (১ এপ্রিল ২০২৬) বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়।
সকাল ১০টায় এক আনন্দ শোভাযাত্রা কলেজ প্রশাসন ভবন থেকে শুরু হয়ে রাজশাহী মহানগরীর জাদুঘর মোড় প্রদক্ষিণ শেষে আবার রাজশাহী কলেজ চত্বরে এসে শেষ হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী ও উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আবু মো. ইউনুছ আলী। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. হাবিবুর রহমান, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর ড. শিখা সরকার, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, এইচএসসি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ও সম্পাদকসহ অ্যালামনাসবৃন্দ, শিক্ষার্থীবৃন্দ, সাংবাদিক, অতিথি ও কর্মচারীবৃন্দ।
সকাল সাড়ে ১০টায় অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষ মহোদয় বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষকমণ্ডলী, অ্যালামনাসবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের উপস্থিতিতে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে কলেজের প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন করেন।
অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী বক্তব্যে বলেন, ‘সুপ্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক, শিক্ষা এবং সংস্কৃতি চর্চার চারণক্ষেত্র, হিরণ¥য় সৌন্দর্যের আকর, তিলোত্তমা রাজশাহী কলেজের আজ ১৫৪তম প্রতিষ্ঠা দিবস। ১৮৭৩ সালের ১ এপ্রিল মাত্র ৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করে কালের পরিক্রমায় কলেজটি আজ দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত। রাজশাহী শহরে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠালগ্নে যাঁদের অনুদান ও নিরন্তর প্রচেষ্টায় কলেজটির অবয়ব লাভ করে- সেই সকল ভূস্বামী রাজা, জমিদার, বিত্তশালী এবং সমাজসেবীদের অবদান ও ভূমিকা আজ গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তাছাড়া দেশ-বিদেশে অবস্থানরত কলেজের মেধাবী শিক্ষার্থীগণের অসামান্য অবদান অবশ্যই স্বীকার্য। যাঁদের অকুণ্ঠ প্রচেষ্টা ও অবদানে কলেজটি স্বর্ণগর্ভায় পরিণত হয়েছে- তাঁদের অশেষ কীর্তি ও ত্যাগ রাজশাহী কলেজ পরিবার বিনম্র শ্রদ্ধা এবং গভীর কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করছে। রাজশাহী কলেজের দীর্ঘপথ পরিক্রমায় নিরঙ্কুশ সমর্থন, সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির সোপান বিনির্মাণে যাঁদের অসামান্য অবদান সেই কীর্তিমান অংশীজন বিশেষ করে কলেজের প্রাক্তন এবং বর্তমান অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, শুভানুধ্যায়ী ও কর্মচারীদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। রাজশাহী কলেজের গৌরবোজ্জ¦ল ঐতিহ্য সমুন্নত রাখতে হলে শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মচারীগণকে নিজ নিজ দায়িত্বের প্রতি আরও যত্নবান ও শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।’
সবশেষে তিনি প্রতিষ্ঠা দিবসের কর্মসূচিকে সফল করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।