শনিবার | ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ | ৫ বৈশাখ, ১৪৩৩

শিরোনাম
নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তা জবরদখলের অভিযোগ পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু বড়াইগ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ১৩ জন আটক, ট্রাকসহ লুন্ঠিত ইলেকট্রিক ব্যাটারি উদ্ধার চার মাস পর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শিবির একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা শিবির সভাপতি জাহিদ হাসান পদ্মার পাঙ্গাস বিক্রি হলো ২০ হাজার টাকায় লালপুরে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি মৃদু তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন বড়াইগ্রামে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ বৈশাখ বর্তমানকে উদ্‌যাপন ও ভবিষ্যতের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পুতুল

লালপুরে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন সভা

নাটোর প্রতিনিধি :
নাটোরের লালপুরে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে অবহিতকরন ও পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (১০ ডিসেম্বর ২০২৩) সকালে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দীনের সভাপতিতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা খন্দকার মো. শরিফুল ইসলাম, অধ্যক্ষ ইমাম হাসান মুক্তি, মেডিকেল অফিসার (রোগ নিয়ন্ত্রণ) ডাক্তার ওয়ালিউজ্জামান পান্না, লালপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) মো. হাসান তৌফিকুল ইসলাম প্রমুখ। এ সময় সেনেটারী ইন্সপেক্টর মো. আনোয়ার হোসেন, মেডিকেল টেননোলজিস্ট ইপিআই মো. ফাকরুজ্জামান সরকার বুলবুলসহ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
ভিটামিন ‘এ’-এর গুরুত্ব তুলে ধরে সভায় জানানো হয়, আগামী ১২ ডিসেম্বর জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সী নীল ক্যাপসুল ৩ হাজার ৩৪০টি এক বছর থেকে ৫ বছর বয়সী লাল রঙের ক্যাপসুল ২৯ হাজার ১০০টি শিশুকে খাওয়ানো হবে। উপজেলায় ২৪০টি অস্থায়ী ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে একটি স্থায়ী টিকা কেন্দ্রে এ সেবা দেওয়া হবে।
জানা যায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠান ১৯৭৪ সাল থেকে জাতীয়ভাবে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ কার্যক্রমের ফলে ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের কভারেজ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৭ সালে শতকরা ৯৯ ভাগে উন্নীত হয়েছে। অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা ছিল রাতকানার শতকরা হার ১ ভাগের নিচে নামিয়ে আনা। ইতোমধ্যে বাংলাদেশে সে লক্ষ্য পুরোপুরি অর্জিত হয়েছে। সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী বাংলাদেশে বর্তমানে ভিটামিন ‘এ’ অভাবজনিত রাতকানার হার শতকরা ০ দশমিক ০৪ ভাগ। তাছাড়া ভিটাামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমায়। অপুষ্টিজনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধে এই অর্জিত হার ধরে রাখা অথবা তা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা এবং শিশুর রোগ প্রতিরোধে ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শিশুমৃত্যুর ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যে বছরে ২ বার ৬-১১ মাস বয়সী শিশুদের ১টি নীল রঙের (১ লাখ আইইউ) এবং ১২-৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ১টি লাল রঙের (২ লাখ, আই ইউ) উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানোর কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া একান্ত জরুরি।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.