বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২

শিরোনাম
নাটোরে জিয়া মঞ্চের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আখের অভাবে বন্ধ হলো নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে আখ মাড়াই সরকারি জমিতে থেকে অবৈধ ভবন উচ্ছেদ করল প্রশাসন নরনেসুমিতে শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পূর্ণ সভাপতি মানিক, সম্পাদক পিন্টু প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কীটনাশক স্প্রে মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে,মাদকাসক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না —— নব নির্বাচিত আব্দুল আজিজ এমপি আমার সাথে দেখা করবে না সমস্যা আছে” রেজাল্টের পর শিক্ষার্থীর আত্নহনন, শিক্ষকের স্কিনশর্ট ভাইরাল একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার-প্রধানমন্ত্রী মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে লালপুরে জামায়াতের শোভাযাত্রা

ফুটবলার গণেষের দুর্দিন

ইমাম হাসান মুক্তি, প্রতিনিধি, লালপুর (নাটোর)
সত্তরের দশকের মাঠে ঝড় তোলা ফুটবলার গণেষ চন্দ্র দাস। ফুটবল নৈপূণ্যে যার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে দেশ জুড়ে। ১৯৭১ সালে ভারতের জলঙ্গীতে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে খেলেছেন। এখন সে জৌলুস আর নেই। আর্থিক অনটনে জীবন দুর্বিসহ। চিকিৎসা করার সামর্থ নেই। খেয়ে-না খেয়ে দিন কাটছে তাঁর।
রোববার (৮ আগস্ট ২০২১) কথা হয় গনেষ চন্দ্র দাসের সাথে। তিনি বলেন, লালপুর শ্রী সুন্দরী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়াকালে ১৯৭৭ সালে পুলিশ বাহিনীতে চাকুরীতে যোগ দেন। বাংলাদেশ পুলিশের ফুটবল দলে ১০ বছর নৈপূন্যের সাথে খেলেছেন। আইজিপি দলের ১ নম্বর স্ট্রাইকার ছিলেন। তিনি রাজশাহীর দিগন্ত প্রসারী ক্লাবের অধিনায়ক ছিলেন। খুলনার দাদা ম্যাচ ফ্যাক্টরী দলের হয়ে খেলেছেন। রাজশাহী ও নাটোর জেলা দলের হয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ক্রীড়া নৈপূণ্য দেখিয়েছেন। অনেক স্বীকৃতি-সম্মাননা অর্জন করেছেন।
১৯৭১ সালে ভারতের জলঙ্গীতে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে খেলেছেন। ১৯৮৬ সালে চাকুরী থেকে অবসর নেন এই কৃতী ফুটবলার।
বড় ছেলে মুন্না দাস বলেন, তাঁর বাবা তিন বার স্ট্রোক করেছেন। প্রায় ১৬ বছর ধরে অসুস্থ। খেলোয়াড় কল্যাণ তহবিল থেকে এক বার ৫ হাজার টাকা পেয়েছিলেন। আর কোন সুবিধা পাননি। নিজে নাপিতে কাজ আর ছোট ভাই বাসের হেলপারি করে সংসার চালান। লকডাউনে সেসব বন্ধ রয়েছে। এখন দিন পার করা দায় হয়ে পড়েছে।
জীবন সায়াহ্নে দুর্দিনে স্বাধীন বাংলা ফুটবলার গণেষ চন্দ্র দাসের অলস দিন কাটছে বিছানায় শুয়ে নয়তো চেয়ারে বসে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অকেজো হাত-পা। কথা আড়ষ্টতায় জড়িয়ে যাচ্ছে। স্মৃতিভ্রম পেয়ে বসেছে। কখন জানি প্রাণ পাখি উড়ে যাবে, সে অপেক্ষার প্রহর গুণছেন।
ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব গনেষ চন্দ্র দাস নাটোরের লালপুরে ১৯৪৫ সালের ৪ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত দুর্গা চন্দ্র দাস ও মাতা মৃত শান্তি রানী দাস। স্ত্রী মায়া রানী দাস। সন্তান মুন্না চন্দ্র দাস ও পান্নু চন্দ্র দাস।
লালপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাম্মী আক্তার বলেন, ফুটবলার গণেষ চন্দ্র দাসের ব্যাপারে খেলোয়াড় কল্যান তহবিল থেকে সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.