
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নাটোরের লালপুরে এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে কখনো কখনো তা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে রূপ নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি ২০২৬) সকাল ৬টায় উপজেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, উপজেলায় ৩১ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি, ১ জানুয়ারি ৯ দশমিক ৬ ডিগ্রি, ২ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি, ৩ জানুয়ারি ৯ ডিগ্রি, ৪ জানুয়ারি ১০ ডিগ্রি, ৫ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি এবং ৬ জানুয়ারি ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসব তাপমাত্রা আবহাওয়া অধিদপ্তরের মানদণ্ড অনুযায়ী মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে বিবেচিত হয়।
এদিকে গত ৭ জানুয়ারি তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে গেলে এলাকায় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রা শূন্য দশমিক ৭ ডিগ্রি বৃদ্ধি পেলেও মৃদু শৈত্যপ্রবাহ এখনও অব্যাহত রয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের অফিসার ইনচার্জ মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, গত ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে এলাকায় তীব্র শীত অনুভূত হচ্ছে। ৩১ ডিসেম্বর থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলমান থাকলেও বুধবার থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও চলমান আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।
উল্লেখ্য, আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী কোনো এলাকায় দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ এবং ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়।
এদিকে উত্তরের হিমেল হাওয়ায় পুরো উপজেলা জুড়ে কনকনে শীত অনুভূত হচ্ছে। শীতের প্রকোপে সন্ধ্যার পর উপজেলার রাস্তাঘাট ও হাটবাজার প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়ছে। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন ছিন্নমূল ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ।
সম্পাদনা : রাশিদুল ইসলাম রাশেদ/ উপসম্পাদক /প্রাপ্তি প্রসঙ্গ/০৮-০১