সোমবার | ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ | ৩০ চৈত্র, ১৪৩২

শিরোনাম
কলেজ শিক্ষকের কাছে ডাকযোগে কাফনের কাপড়, তদন্তে পুলিশ বড়াইগ্রামে জিন্নাহ হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার উদ্বোধন ১২ এপ্রিল বিশ্ব পথশিশু দিবস: বিশ্ব পথশিশু দিবস ও শিশুকল্যাণে লিডো-র ভূমিকা একটি আনন্দময় শিক্ষা ভাবনা বাস্তবায়ন করা সময়ের দাবি ঈশ্বরদী ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত লালপুরে অপরাধ দমনে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান- গ্রেপ্তার ৬ জন, ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা বড়াইগ্রামের ধানাইদহে ৭১’র ১১ এপ্রিলে ঘটে নারকীয় হত্যাকান্ড ও প্রতিরোধ যুদ্ধ উধনপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠিত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা পেলেন বিনামূলে বীজ ও সার ব্যাংক এশিয়ার গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত

১২ এপ্রিল বিশ্ব পথশিশু দিবস: বিশ্ব পথশিশু দিবস ও শিশুকল্যাণে লিডো-র ভূমিকা

-প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম:
বাংলাদেশের উন্নয়নযাত্রা যতই এগিয়ে চলুক, সমাজের একটি বড় অংশ এখনও পিছিয়ে রয়েছে। বিশেষ করে আমাদের পথশিশুরা সেই অংশের একটি বড় উদাহরণ। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতে প্রতিদিন হাজার হাজার শিশুকে দেখা যায় রাস্তায় জীবনযাপন করতে। তাদের অনেকেই জন্মের পর থেকেই বঞ্চনা, দারিদ্র্য, সহিংসতা এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে বেড়ে ওঠে। এই শিশুদের শিক্ষা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই প্রেক্ষাপটে লিডো (LEEDO) ‘লোকাল এডুকেশন এন্ড ইকোনমিক ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন’ বাংলাদেশের পথশিশুদের জন্য একটি আশার আলো হিসেবে কাজ করছে।
পথশিশুদের জীবন অত্যন্ত কঠিন ও অনিরাপদ। তারা প্রথাগত শিক্ষাব্যবস্থার বাইরে থেকে যায়, ফলে অশিক্ষা তাদের ভবিষ্যৎকে আরও অন্ধকার করে তোলে। অনেক সময় তারা অল্প বয়সেই বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ কাজে জড়িয়ে পড়ে, যা তাদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই তাদের জন্য এমন একটি সহায়ক পরিবেশ প্রয়োজন, যেখানে তারা শিক্ষা গ্রহণের পাশাপাশি নিরাপদে বেড়ে উঠতে পারে।
লিডো এই প্রয়োজনীয়তাকে উপলব্ধি করে দীর্ঘদিন ধরে পথশিশুদের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিগত ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সংস্থাটি মূলত পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা, আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মতো সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাদের মূল লক্ষ্য হলো শিশুদের মানবসম্পদে রূপান্তর করা, যাতে তারা ভবিষ্যতে সমাজের বোঝা না হয়ে সম্পদে পরিণত হয়। লিডোর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগগুলোর একটি হলো শেল্টার হোম বা নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র। এখানে পথশিশুরা নিরাপদ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পায়। আশ্রয়কেন্দ্রে তাদের জন্য থাকা-খাওয়া, পোশাক এবং স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা থাকে। এই নিরাপদ পরিবেশ শিশুদের জীবনে একটি স্থিতিশীলতা নিয়ে আসে, যা তাদের শিক্ষা গ্রহণে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
শিক্ষাক্ষেত্রে লিডোর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র পরিচালনা করে, যেখানে শিশুরা প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে। পাশাপাশি, যারা নিয়মিত স্কুলে যেতে সক্ষম, তাদেরকে সরকারি বা বেসরকারি স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেওয়া হয় এবং তাদের পড়াশোনার খরচ বহন করা হয়। এই উদ্যোগের মাধ্যমে অনেক পথশিশু মূলধারার শিক্ষায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।
লিডোর শিক্ষা কার্যক্রম শুধু বই-পুস্তকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তারা শিশুদের জন্য লাইফ স্কিলস্ বা জীবন দক্ষতা শিক্ষা প্রদান করে থাকে। যেমন, যোগাযোগ দক্ষতা, সমস্যা সমাধান, আত্মরক্ষা, এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা। এসব দক্ষতা শিশুদের বাস্তব জীবনে টিকে থাকতে এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
স্বাস্থ্যসেবার দিক থেকেও লিডোর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য। পথশিশুরা সাধারণত অপুষ্টি, সংক্রামক রোগ এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ভোগে। লিডো তাদের জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, টিকাদান এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করে। পাশাপাশি, পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবস্থাও করা হয়, যা তাদের শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
মানসিক স্বাস্থ্য ও সামাজিক বিকাশের দিকটিও লিডো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। পথশিশুরা প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের মানসিক আঘাতের শিকার হয়। তাদের জন্য কাউন্সেলিং, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এবং সৃজনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এতে শিশুদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায় এবং তারা ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে জীবনকে দেখতে শেখে।
লিডোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পরিবার পুনর্মিলন কার্যক্রম। অনেক শিশু বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। লিডো তাদের পরিবার খুঁজে বের করার চেষ্টা করে এবং উপযুক্ত পরিবেশ থাকলে পরিবারে পুনর্বাসন নিশ্চিত করে। পাশাপাশি পরিবারকে সচেতন করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে শিশুরা আবার রাস্তায় না ফিরে যায়।
লিডো শুধু শিশুদের নিয়ে কাজ করেই থেমে নেই; তারা সমাজে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজও করে থাকে। বিভিন্ন কর্মশালা, সেমিনার ও প্রচারণার মাধ্যমে তারা পথশিশুদের অধিকার সম্পর্কে মানুষকে অবহিত করে। এতে সমাজে সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি হয়, যা এই শিশুদের মানসিক উন্নয়নেও সহায়ক।
সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি লিডোর মতো বেসরকারি সংস্থার কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা সরকারি সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে, যাতে সেবাগুলো আরও কার্যকরভাবে পৌঁছানো যায়। এই সমন্বিত প্রচেষ্টা পথশিশুদের উন্নয়নে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে।
বাংলাদেশের পথশিশুদের শিক্ষায় লিডো-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় অনেকগুলো বিষয় রয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং সামাজিক সূচকের অগ্রগতির মধ্যেও একটি বাস্তবতা আমাদের বিব্রত করে পথশিশুদের অনিশ্চিত জীবন। রাজধানীসহ দেশের বড় শহরগুলোতে
হাজার হাজার শিশু প্রতিদিন রাস্তায় বেড়ে উঠছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং নিরাপদ আশ্রয়ের মতো মৌলিক অধিকার থেকে তারা বঞ্চিত। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় লিডো একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
পথশিশুদের জীবন বাস্তবতা অত্যন্ত কঠোর। তারা সাধারণত দরিদ্র, ভাঙা বা অনিরাপদ পরিবার থেকে আসে, কিংবা অনেক ক্ষেত্রে পরিবারহীন। তাদের দিনের বড় একটি অংশ কেটে যায় জীবিকা নির্বাহের সংগ্রামে। ভিক্ষা, হকারি, বর্জ্য সংগ্রহ বা অন্যান্য ঝুঁকিপূর্ণ কাজে। ফলে তাদের শিক্ষার সুযোগ প্রায় শূন্যে নেমে আসে। এই অবস্থায় শিক্ষা তাদের জন্য বিলাসিতা হয়ে দাঁড়ায়, যা ভবিষ্যতের উন্নয়নের পথকে আরও সংকুচিত করে।
এই প্রেক্ষাপটে লিডো পথশিশুদের জন্য একটি কার্যকর মডেল তৈরি করেছে। তাদের শিক্ষা কার্যক্রম মূলত অপ্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ওপর ভিত্তি করে, যেখানে শিশুদের মৌলিক সাক্ষরতা, গণিত এবং জীবন দক্ষতা শেখানো হয়। পাশাপাশি তারা শিশুদের মূলধারার শিক্ষাব্যবস্থায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করে। এই পদ্ধতি ইতোমধ্যে অনেক শিশুর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন এনেছে।
লিডোর বর্তমান কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা শুধুমাত্র শিক্ষা প্রদানেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং একটি সমন্বিত উন্নয়ন মডেলের মাধ্যমে শিশুদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। আশ্রয়, স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, মানসিক সহায়তা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ, সবকিছুই তাদের কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত। এই সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গি ভবিষ্যতের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে।
তবে ভবিষ্যতের দিকে তাকালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে আসে। প্রথমত, লিডোর কার্যক্রম কতটা বিস্তৃত করা সম্ভব? বর্তমানে তাদের সেবার আওতায় থাকা শিশুদের সংখ্যা মোট পথশিশুর তুলনায় সীমিত। তাই তাদের কার্যক্রমকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এর
জন্য প্রয়োজন পর্যাপ্ত অর্থায়ন, দক্ষ জনবল এবং শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো।
দ্বিতীয়ত, টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা একটি বড় বিষয়। অনেক সময় দেখা যায়, প্রকল্পভিত্তিক কার্যক্রম শেষ হলে তার প্রভাবও ধীরে ধীরে কমে যায়। লিডোর ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি কমাতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সরকারি সহযোগিতা, কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব (CSR) এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তা এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
তৃতীয়ত, প্রযুক্তির ব্যবহার ভবিষ্যতে লিডোর কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে পারে। ডিজিটাল শিক্ষা, অনলাইন প্রশিক্ষণ এবং তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি তাদের কাজকে আরও আধুনিক ও বিস্তৃত করতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে ডিজিটাল শিক্ষার গুরুত্ব বেড়েছে, যা পথশিশুদের জন্যও নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।
এছাড়া, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রভাব বিস্তার করাও লিডোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ভবিষ্যৎ লক্ষ্য হতে পারে। পথশিশুদের জন্য একটি সমন্বিত জাতীয় নীতিমালা প্রণয়ন এবং তার বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখা এই সংস্থার কার্যক্রমকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারে। এতে তাদের অভিজ্ঞতা ও মডেল জাতীয় পর্যায়ে প্রয়োগ করা সম্ভব হবে।
তবে কিছু ঝুঁকিও রয়েছে, যা ভবিষ্যতে লিডোর কার্যক্রমকে প্রভাবিত করতে পারে। নগরায়নের ফলে পথশিশুর সংখ্যা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বৈষম্য, এবং সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা এই সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তাই লিডোকে এই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হবে এবং তাদের কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়মিত আপডেট করতে হবে। লিডোর কাজের পথে কিছু চ্যালেঞ্জ যেমন, অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত অবকাঠামোর অভাব এবং কখনো কখনো সামাজিক বাধা তাদের কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে। তবুও তারা তাদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হয়নি। তাদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠা এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করতে সাহায্য করছে।
পথশিশুদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা এবং তাদের পাশে দাঁড়ানো এখন সময়ের দাবি। লিডোর মতো সংগঠনগুলোর উদ্যোগকে সমর্থন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে আমরা একটি সুন্দর, সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে পারি, যেখানে কোনো শিশু রাস্তায় না থেকে নিয়মিত স্কুলে যাবে ও নিরাপদ আশ্রয়ে বেড়ে উঠবে।
সব মিলিয়ে বলা যায়, বাংলাদেশের পথশিশুদের শিক্ষায় লিডোর ভূমিকা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। তাদের কার্যক্রম ইতোমধ্যে প্রমাণ করেছে যে সঠিক পরিকল্পনা ও আন্তরিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজের সবচেয়ে অবহেলিত অংশের জীবনেও পরিবর্তন আনা সম্ভব। তবে এই সাফল্য ধরে রাখতে এবং আরও বিস্তৃত করতে হলে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, সমন্বিত উদ্যোগ এবং টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের সামাজিক উন্নয়নে যদি তাদের উদ্যোগ আরও শক্তিশালী হয় এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরের সমর্থন পায়, তাহলে একদিন হয়তো আমরা এমন একটি বাংলাদেশ দেখতে পাব, যেখানে কোনো শিশু রাস্তায় না থেকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাবে।

*প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন।
E-mail: [email protected]

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.