রবিবার | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

শিরোনাম
জীবিত থাকতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা চাইলেন প্রধান শিক্ষক নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তা জবরদখলের অভিযোগ পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু বড়াইগ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ১৩ জন আটক, ট্রাকসহ লুন্ঠিত ইলেকট্রিক ব্যাটারি উদ্ধার চার মাস পর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শিবির একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা শিবির সভাপতি জাহিদ হাসান পদ্মার পাঙ্গাস বিক্রি হলো ২০ হাজার টাকায় লালপুরে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি মৃদু তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন বড়াইগ্রামে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ

জীবিত থাকতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা চাইলেন প্রধান শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক :
অবসরের পর দীর্ঘ অপেক্ষা নয়—জীবিত অবস্থাতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ প্রাপ্তির দাবি জানিয়েছেন নাটোরের লালপুর উপজেলার রাকসা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
শনিবার (১৮ এপ্রিল, ২০২৬) বিকেলে এসএসসি ২০২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ দাবি তুলে ধরেন। বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৮ সালে তিনি অবসরে যাবেন। কিন্তু অবসরের পরপরই প্রাপ্য অর্থ না পাওয়ায় শিক্ষকরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষকরা চাকরির শুরুতে যে বেতন পান, তা প্রায় সরকারি চাকরিজীবীদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের সমপর্যায়ের। এই সীমিত আয়ে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে। তার ওপর অবসরের দিন কোনো আর্থিক সহায়তা ছাড়াই ‘খালি হাতে’ বিদায় নিতে হয়।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অবসর ও কল্যাণ তহবিলের অর্থ পেতে দীর্ঘসূত্রিতার কারণে অধিকাংশ শিক্ষক জীবদ্দশায় এই সুবিধা পান না। ফলে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।
তিনি সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকরা জীবিত থাকতেই তাদের প্রাপ্য অর্থ পান, সে বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়। একই সঙ্গে বিষয়টি জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ও সমাজসেবক মো. আব্দুর রহিম তুহিনসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মচারী, সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

সম্পাদনা : রাশিদুল ইসলাম রাশেদ /উপসম্পাদক/ প্রাপ্তি প্রসঙ্গ/১৯-০৩

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.