
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নাটোরের লালপুর উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) রেলপথ মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও স্বস্তি দেখা দিয়েছে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের ভূমিকার কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করছেন এলাকাবাসী। তাদের দাবি, তিনি রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ধারাবাহিক যোগাযোগ রেখে স্থানীয় মানুষের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন বলেই এ বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-চিলাহাটি রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি আজিমনগর স্টেশনে থামানোর দাবি দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছিলেন এলাকাবাসী। অবশেষে সেই প্রত্যাশা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।
লালপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত আজিমনগর রেলস্টেশন দিয়ে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যাতায়াত করেন। কিন্তু আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি না থাকায় যাত্রীদের দূরবর্তী স্টেশন ব্যবহার করতে হতো, যা সময় ও অর্থ—দুই দিক থেকেই বাড়তি ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি চালু হলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ ও দ্রুত হবে। এতে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা-বাণিজ্যেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন স্থানীয়রা। অনেকেই এটিকে লালপুরবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের সূচনা হিসেবে দেখছেন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত সময়ের মধ্যেই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রাবিরতির সময়সূচি ঘোষণা করা হবে এবং আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের যাত্রাবিরতি কার্যকর হবে। এতে লালপুর উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের যাতায়াত দুর্ভোগ অনেকটাই কমে আসবে বলে মনে করছেন তারা।
সম্পাদনা : রাশিদুল ইসলাম রাশেদ /উপসম্পাদক/ প্রাপ্তি প্রসঙ্গ/১৯-০২