
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নাটোরের লালপুরে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে গিয়ে র্যাব সদস্যদের ওপর হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনায় দায়ের করা মামলার আরও এক এজাহারভুক্ত আসামিকে যৌথ অভিযানে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব ও পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ মে ২০২৬) রাত আড়াইটার দিকে পাবনা জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই নম্বর আসামি মো. মাসুদ রানা (৩০)কে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি মৃত আসলাম মোল্লার ছেলে এবং লালপুর উপজেলার নবীনগর এলাকার বাসিন্দা।
র্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১২ মে রাতে র্যাব-৫, সিপিসি-২ নাটোর ক্যাম্পের একটি দল লালপুর থানার ঈশ্বরদী ইউনিয়নের নবীনগর এলাকায় গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে যায়। ওই দলে এসআই (নি.) পারভেজ মুন্সি, নায়েক মোহাম্মদ আল আমিন, নায়েক মোহাম্মদ শাহিনুর রহমানসহ অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন।
রাত প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিটে নবীনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠসংলগ্ন এলাকায় মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সময় কয়েকজন ব্যক্তি র্যাব সদস্যদের পরিচয় জানতে চান। একপর্যায়ে র্যাব সদস্যরা নিজেদের পরিচয় দিলেও তাদের সঙ্গে কথাকাটাকাটি শুরু হয়।
পরবর্তীতে বিদ্যালয় মাঠ থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে পাকা সড়কে পৌঁছালে এজাহারভুক্ত আসামিদের সঙ্গে অজ্ঞাতনামা আরও ১৫ থেকে ২০ জন ব্যক্তি র্যাব সদস্যদের পথরোধ করে হামলা ও মারধর করে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এসআই (নি.) পারভেজ মুন্সি বাদী হয়ে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটি লালপুর থানার মামলা নম্বর-১৯, তারিখ ১৩ মে ২০২৬। মামলায় পেনাল কোডের ১৪৩, ৩৪১, ৩৩২, ৩৫৩, ১৮৬, ৫০৬, ১২৪ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরে মামলার তদন্তভার এসআই আল মাসুমের ওপর অর্পণ করা হয়।
এর আগে, ঘটনার দিনই মামলার এক নম্বর আসামি মো. সোহাগ মাহমুদ (৩০), মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে,কে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় লালপুর থানা পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মাসুদ রানাকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
সম্পাদনা : রাশিদুল ইসলাম রাশেদ /উপসম্পাদক/ প্রাপ্তি প্রসঙ্গ/১৯-০৬