
-প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম।
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো জোটে যোগ দেওয়াকে প্রাথমিকভাবে কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতার সাথে জড়িত থাকা মনে হলেও এর সাথে থাকে সেই দেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি, সামরিক সক্ষমতা, পররাষ্ট্রনীতি এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দায়বদ্ধতা। তাই সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের সদ্য স্বাক্ষরিত মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশ যোগ দেবে কি না বিষয়টি এখন কূটনৈতিক আলোচনার ছাড়িয়ে এটি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে সামনে হাজির হয়েছে।
গত ৭ আগস্ট ২০২৬ মক্কায় সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্ক ‘মক্কা জয়েন্ট ডিফেন্স অ্যাগ্রিমেন্ট’ স্বাক্ষর করে। এ চুক্তির মূল দর্শন হলো. এক সদস্যের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা তিন সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে চুক্তিতে এই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রয়োগ কীভাবে হবে, সে বিষয়ে এখনো অনেক বিষয় স্পষ্ট নয়। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সঙ্গে তুলনা করলেও চুক্তিটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে সামরিক জোট নয় বলে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো জানিয়েছে।
বাংলাদেশ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই জোটে যোগ দেয়নি। তবে সরকারের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য যোগদানের বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাবের কথা বলা হয়েছে। ‘বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (২) শামা ওবায়েদ ইসলাম (ইত্তেফাক ২৭.০৮.২০২৬)। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে দেশের স্বার্থ,অর্থনীতি ও জনগণের জন্য কতটা লাভজনক হবে, সেটি আগে মূল্যায়ন করা হবে’ এবং জাতীয় স্বার্থ ও পরিবর্তিত বৈশ্বিক অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক বাস্তবতার আলোকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।
তাহলে বাংলাদেশ এই জোটে যোগ দিলে আমাদের লাভ কী এবং ক্ষতিই বা কতটা? বিষয়গুলো একটু পর্যালোচনা করা যাক। প্রথম লাভ হতে পারে এটা নিরাপত্তার জন্য একটি নতুন ছাতা। বাংলাদেশের মতো একটি মধ্যম শক্তির দেশের জন্য বহুপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতা অবশ্যই আকর্ষণীয়।
বাংলাদেশের সামরিক শক্তি আঞ্চলিক পরাশক্তিগুলোর তুলনায় সীমিত। ফলে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, গোয়েন্দা সহযোগিতা, সামরিক প্রশিক্ষণ, সাইবার নিরাপত্তা এবং যৌথ মহড়ার সুযোগ বাড়ানো জাতীয় নিরাপত্তাকে শক্তিশালী করতে পারে।
মক্কাজোটের তিন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের সামরিক সক্ষমতা ও অভিজ্ঞতা ভিন্ন ধরনের। পাকিস্তানের রয়েছে বড় সামরিক বাহিনী ও পারমাণবিক সক্ষমতা; তুরস্কের রয়েছে দ্রুত বিকাশমান প্রতিরক্ষা শিল্প; সৌদি আরবের রয়েছে বিপুল আর্থিক সম্পদ এবং আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহের সক্ষমতা। এই তিন দেশের সঙ্গে কাঠামোবদ্ধ সহযোগিতা বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সুযোগ তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশ যদি জোটে যোগদানের আগে স্পষ্টভাবে প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, প্রতিরক্ষা শিল্পে বিনিয়োগ এবং যৌথ গবেষণার নিশ্চয়তা আদায় করতে পারে, তাহলে এটি শুধু সামরিক নয়, প্রযুক্তিগতভাবেও লাভজনক হতে পারে।
দ্বিতীয় লাভ এই যোগদান আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে নতুন দরজা হতে পারে। বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা আধুনিকায়নের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হলো উন্নত প্রযুক্তিতে প্রবেশাধিকার। ড্রোন, অ্যান্টি-ড্রোন প্রযুক্তি, নজরদারি ব্যবস্থা, সাইবার প্রতিরক্ষা, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার, নৌ-প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সামরিক ব্যবস্থার গুরুত্ব দ্রুত বাড়ছে। তুরস্ক বিশেষ করে ড্রোন ও প্রতিরক্ষা শিল্পে আন্তর্জাতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
পাকিস্তানেরও নিজস্ব প্রতিরক্ষা উৎপাদন ও সামরিক প্রযুক্তির অভিজ্ঞতা রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের জন্য মক্কাজোট প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম আমদানির পাশাপাশি প্রযুক্তি ও দক্ষতা অর্জনের একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।
তবে এখানেই একটি শর্ত হলো, বাংলাদেশকে শুধু অস্ত্রের ক্রেতা হলে চলবে না। প্রযুক্তি হস্তান্তর, স্থানীয় উৎপাদন, যৌথ উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশকে চুক্তির কেন্দ্রীয় অংশ করতে হবে।
তৃতীয় লাভ সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের নতুন উচ্চতা তৈরী হতে পারে। বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরবের গুরুত্ব শুধু ধর্মীয় কারণে নয়; অর্থনীতি ও শ্রমবাজারের কারণেও অত্যন্ত বেশি।
বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি সৌদি আরবে কর্মরত। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। মক্কাজোটে যোগ দিলে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে। প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি জ্বালানি, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, বন্দর, শিল্প এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন দরজা খুলতে পারে।
চতুর্থ লাভ হতে পারে তুরস্কের প্রতিরক্ষা শিল্পে প্রবেশ করা। তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাড়ছে। মক্কাজোট সেই সম্পর্ককে প্রতিরক্ষা শিল্পে আরও প্রাতিষ্ঠানিক করতে পারে। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হতে পারে ‘কো-প্রোডাকশন’। অর্থাৎ বিদেশ থেকে তৈরি অস্ত্র কেনার পরিবর্তে বাংলাদেশে যৌথভাবে ড্রোন, সাঁজোয়া যান, নৌযান, যোগাযোগব্যবস্থা বা নজরদারি প্রযুক্তি উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি করা। এ ধরনের সহযোগিতা সফল হলে বাংলাদেশের শিল্পায়ন, প্রযুক্তি দক্ষতা এবং কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
পঞ্চম লাভ পাকিস্তানের সঙ্গে বাস্তববাদী সম্পর্ক তৈরী হওয়া। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্ক দীর্ঘদিন ইতিহাস ও রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে জটিল ছিল। কিন্তু আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অতীতের বিরোধের পাশাপাশি বর্তমান স্বার্থও বিবেচনা করতে হয়। মক্কাজোটে যোগ দিলে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বাড়বে। বাণিজ্য, শিক্ষা, কৃষি, ওষুধ, স্বাস্থ্য, সামরিক প্রশিক্ষণ এবং আঞ্চলিক যোগাযোগে সহযোগিতার সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে এই সম্পর্কের ভিত্তি অবশ্যই হতে হবে সমমর্যাদা ও পারস্পরিক স্বার্থ। ১৯৭১-এর ইতিহাসকে অস্বীকার বা আড়াল করে কোনো সম্পর্ক স্থায়ী করা সম্ভব নয়।
ষষ্ঠ লাভ হতে পারে ভারত ও চীনের ওপর অতিনির্ভরতা কমানো । বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে বহুমুখীকরণ গুরুত্বপূর্ণ। কোনো একটি দেশের ওপর অতিরিক্ত অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা নিরাপত্তাগত নির্ভরতা ছোট ও মাঝারি রাষ্ট্রের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। মক্কাজোটে যোগ দিলে বাংলাদেশের হাতে নতুন কয়েকটি কৌশলগত অংশীদার আসবে। ফলে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্য অংশীদারদের সঙ্গে দর-কষাকষির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের বিকল্প বাড়তে পারে।
সপ্তম লাভ হতে পারে ইসলামিক বিশ্বের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ সৃষ্টি করা। বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠীর দেশ। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। মক্কাকেন্দ্রিক একটি নিরাপত্তা কাঠামোতে যুক্ত হলে মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের কৌশলগত যোগাযোগ বাড়ার সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
তবে আপাত:দৃষ্টিতে লাভ যতই থাকুক, মক্কাজোটে যোগদানের ঝুঁকিও কম নয়। প্রথম ঝুঁকি হতে পারে অনিচ্ছা সত্ত্বেও অন্যের যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি। চুক্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—এক সদস্যের ওপর হামলা অন্য সদস্যদের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশের জন্য এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। ধরা যাক, ভবিষ্যতে সৌদি আরব কোনো আঞ্চলিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ল, অথবা পাকিস্তান কোনো সামরিক সংঘাতে গেল, তখন বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে? বাংলাদেশ কি সামরিকভাবে অংশ নেবে? নাকি শুধু কূটনৈতিক সমর্থন দেবে? এই প্রশ্নগুলোর সুস্পষ্ট উত্তর ছাড়া কোনো যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়া বিপজ্জনক। কারণ, বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনের সঙ্গে সম্পর্কহীন কোনো সংঘাতে জড়িয়ে পড়লে তার অর্থনৈতিক ও মানবিক মূল্য অনেক বড় হতে পারে।
দ্বিতীয় ঝুঁকি হতে পারে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের আরো অবনতি হওয়া। বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী ভারত। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত, পানি, বাণিজ্য, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ ও নিরাপত্তাসহ অসংখ্য অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। বাংলাদেশ মক্কাজোটে যোগ দিলে দিল্লি সেটিকে
কীভাবে দেখবে, সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যেই ভারত এই চুক্তির বিষয়ে ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে। বাংলাদেশ যদি কোনোভাবে পাকিস্তান-নির্ভর নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে চিহ্নিত হয়, তাহলে ভারতের সঙ্গে আস্থার সংকট বাড়তে পারে।
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রতিটি অতিরিক্ত ব্যয়ের সুযোগমূল্য আছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু অভিযোজন, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য হ্রাস ও অবকাঠামো থেকে অর্থ সরিয়ে অতিরিক্ত সামরিক ব্যয় করা হলে তার সামাজিক মূল্যও বিবেচনায় নিতে হবে।
আরেকটি ঝুঁকি হলো, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের অভিঘাতকে নিজের মধ্যে টেনে আনা। মক্কাজোট এমন একটি সময়ে গঠিত হয়েছে, যখন পশ্চিম এশিয়ায় তীব্র অস্থিরতা চলছে। সৌদি আরবের নিরাপত্তা, উপসাগরীয় জ্বালানি অবকাঠামো, লোহিত সাগরের নৌপথ এবং ইরানকেন্দ্রিক উত্তেজনা পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে।
বাংলাদেশ এই সংঘাতের ভৌগোলিক কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে হলেও তার অর্থনৈতিক প্রভাব থেকে দূরে নয়। জ্বালানির দাম, বৈশ্বিক বাণিজ্য, সমুদ্রপথ, শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স, সবই এর সঙ্গে সম্পর্কিত। জোটে যোগ দিলে বাংলাদেশ কোনো এক পক্ষের নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে অতিরিক্তভাবে যুক্ত হয়ে গেলে ভবিষ্যতের মধ্যপ্রাচ্য সংকটে নিরপেক্ষতা বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।
এখানে একটি বিষয় ভুলে গেলে চলবে না। মক্কা চুক্তির বাস্তব কাঠামো এখনো পুরোপুরি পরীক্ষিত নয়। তুরস্ক ইতোমধ্যে জানিয়েছে, জোটটি আরও সম্প্রসারিত হতে পারে। অতএব বাংলাদেশকে শুধু বর্তমান তিন সদস্য দেখে সিদ্ধান্ত নিলে চলবে না। ভবিষ্যতে কারা এতে যোগ দেবে, জোটের উদ্দেশ্য কীভাবে বিবর্তিত হবে, এবং এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোর পরিবর্তে কোনো বৃহত্তর সামরিক ব্লকে পরিণত হবে কি না এসবও বিবেচনা করতে হবে।
মক্কাজোটে বাংলাদেশের সম্ভাব্য যোগদানকে কেউ যদি শুধু ইসলামিক জোটে যোগদান হিসেবে দেখেন, তাহলে বিষয়টির কৌশলগত গুরুত্ব বোঝা যাবে না। আবার এটিকে ভারতের বিরুদ্ধে বা কোনো নির্দিষ্ট দেশের পক্ষ নেওয়া হিসেবেও দেখা ভুল হবে। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ যদি সত্যিই পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি হয়, তাহলে মক্কাজোটে যোগ দেওয়ার প্রশ্নেও শেষ কথা হতে হবে একটাই, বাংলাদেশের নিরাপত্তা, অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব ও দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় স্বার্থে কোন সিদ্ধান্ত সবচেয়ে বেশি লাভজনক। এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়া পর্যন্ত জোটে যোগ দেওয়ার চেয়ে দর-কষাকষির টেবিলে থাকা বাংলাদেশের জন্য বেশি বুদ্ধিমানের কাজ।
* প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন। E-mail: [email protected]