মঙ্গলবার | ২৬ মে, ২০২৬ | ১২ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

শিরোনাম
শহরের মোহ ত্যাগ করে পল্লীর শিশুদের সেবায় ডা. আব্দুর রহিম রামিসা হত্যার প্রতিবাদে লালপুরে মানববন্ধন ও র‍্যালি, ধর্ষক-খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রূপপুর পারমাণবিকের স্বপ্ন থেকে বাস্তব যাত্রা: ড. জাহেদুল হাসানের একান্ত সাক্ষাৎকার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ বড়াইগ্রামের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা বড়াইগ্রামে আগ্রান নুরদহ ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসায় সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা প্রদান বড়াইগ্রাম উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে ‘নজরুল স্মরণ’ অনুষ্ঠিত আলী যাকের মুক্তিযুদ্ধের গ্রন্থপাঠ: সেরা পাঠকের তালিকায় নাজমুল হাসান খান লালপুরে ঈদের ছুটিতে ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দিবেন চিকিৎসক দম্পতি ডা. তৈমুর ও রেজওয়ানা শারমিন

নাটোর মুক্ত দিবস

নাটোর প্রতিনিধি :
২১ ডিসেম্বর নাটোর মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। নাটোরের মানুষ ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের স্বাদ পায় ১৬ ডিসেম্বরের চারদিন পর। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে নাটোরে বড় ধরনের কোন লড়াই না হলেও একাধিক স্থানে চালানো হয় গণহত্যা। মুক্তিযুদ্ধের ৯ মাস পাক হানাদার ও তাদের দোসর রাজাকার-আলবদররা নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী, ফতেঙ্গাপাড়া, মোহনপুর, লালবাজার, কাপুড়িয়াপট্টি, শুকলপট্টি, মল্লিকহাটি, বড়াইগ্রামের বনপাড়া ক্যাথলিক মিশন, গুরুদাসপুরের নাড়িবাড়ি, সিংড়ার হাতিয়ান্দহ, কলম এবং লালপুর উপজেলার গোপালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলসহ বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালায়।
৭১ সালের ৪ জুন নাটোর সদর উপজেলার ছাতনী গ্রামের গণহত্যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে নৃশংস ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে পাকসেনাদের আত্মসমর্পনের মাধ্যমে বিজয় অর্জিত হলেও নাটোরে এর চারদিন পর ২১ ডিসেম্বর বিজয় আসে। একাত্তরে নাটোর ছিল পাকসেনাদের ২নং সামরিক হেডকোয়াটার। তৎকালীন সিও অফিসে (বর্তমানের ইউএনও অফিস) পাকসেনাদের সামরিক হেডকোয়াটার স্থাপন করা হয়। ফলে ১৬ ডিসেম্বর থেকে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে পাকসেনারা নাটোরে এসে জড়ো হতে থাকে।
নাটোর পিটিআই স্কুল, আনসার হল, রিক্রিয়েশন ক্লাব, নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা কলেজ, নাটোর রাজবাড়ি, দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি চত্বরের (উত্তরা গণভবন) ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেওয়া পাকসেনারা মিত্র বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করলেও নাটোরের দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি চত্বরে আত্মসমর্পনের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয় ২০ ডিসেম্বর গভীর রাত পর্যন্ত। ফলে ২১ ডিসেম্বর নাটোর পুরোপুরি শত্রুমুক্ত হয়।
আত্মসর্মপন অনুষ্ঠানে পাকসেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার নওয়াব আহমেদ আশরাফ মিত্রবাহিনীর ১৬৫ মাউনটেন ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার রঘুবীর সিং পান্নুর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অস্ত্র সমর্পন করেন। এদিন পাকিস্থাানি বাহিনীর ১৫১ অফিসার, ১৯৮ জন জেসিও, ৫৫০০ সেনা, ১৮৫৬ জন আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য এবং ৯ টি ট্যাংক, ২৫ টি কামান ও ১০ হাজার ৭৭৩টি ছোট অস্ত্রসহ আত্মসমপর্ন করে।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.