রবিবার | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

শিরোনাম
লালপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন লালপুরে সক্রিয় সাইবার প্রতারণা চক্রের ৫ সদস্য আটক, কারাগারে প্রেরণ জীবিত থাকতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা চাইলেন প্রধান শিক্ষক নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তা জবরদখলের অভিযোগ পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু বড়াইগ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ১৩ জন আটক, ট্রাকসহ লুন্ঠিত ইলেকট্রিক ব্যাটারি উদ্ধার চার মাস পর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শিবির একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা শিবির সভাপতি জাহিদ হাসান পদ্মার পাঙ্গাস বিক্রি হলো ২০ হাজার টাকায়

লালপুরে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক।।  লালপুরে উপজেলা  শিক্ষা অফিসারের যোগসাজশে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী।
অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গত ৩১মার্চ ২০১১ সাল থেকে উপজেলার অর্জুনপুর-বরমহাটি ইউনিয়নের বরমহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবে কর্মরতা আছেন।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে বিদ্যালয়ের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে অভিভাবকরা অভিযোগ করেন, প্রধান শিক্ষক সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাৎ, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভর্তি ফি বাবদ ১০০-৩০০ টাকা ও সনদ প্রদানের নামে ২০০ টাকা করে আদায়, বিদ্যালয়ের সম্পদ বিক্রি এবং একটি সরকারি ল্যাপটপ ব্যক্তিগতভাবে ব্যবহারসহ নানা অনিয়মে জড়িত। এছাড়া শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কোম্পানির নোট কিনতে বাধ্য করার অভিযোগও করেন তারা।
এ বিষয়ে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে নির্ধারিত তারিখে তদন্ত কার্যক্রম না হওয়ায় অভিযোগকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম বলেন, ভর্তি ফি নেওয়া হয় না, কেবল ফরম বাবদ সামান্য টাকা নেওয়া হয়। ল্যাপটপের একটি তার বাড়িতে থাকার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি জানান, সেটি অফিসে আনা হয়নি।
উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ফাইজুল ইসলাম জানান, প্রশাসনিক কারণে নির্ধারিত তারিখে তদন্ত সম্ভব হয়নি এবং পরবর্তীতে তাকে তদন্ত কমিটি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি ফি ও সনদ প্রদানে কোন ফি নেওয়ার নিয়ম নেই। তবে অভিযোগ প্রমানিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ বিষেয়ে জানতে লালপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে অফিস তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। পরে মুঠোফোনে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নার্গিস সুলতানা জানান, তিনি দাপ্তরিক কাজে নাটোরে অবস্থান করছেন। প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগসাজসের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা ফাইজুল ইসলামকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের আবেদনের পর তাকে অব্যাহতি দিয়ে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে আহ্বায়ক করে দুই সদস্যের নতুন কমিটি করা হয়েছে। দ্রুত তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদনায়: আ.স /প্রতিবেদক: আল আমিন।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.