
নিজস্ব প্রতিবেদক :
নাটোরের লালপুরে বিশেষ অভিযানে স্ত্রী আরফিনা বেগম (৩৪) সহ গাইবান্ধার কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী ও অস্ত্র মামলার আসামি আহসান হাবীবকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় তার সঙ্গে মাদক সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে রাজিব শেখ (৩৫) নামের আরেকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে তাদের আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আহসান হাবীব (৪৫) গাইবান্ধার সদুল্যাপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামের আ. লতিফের ছেলে এবং তার ব্যবসায়ী পার্টনার মো. রাজিব শেখ নাটোরের লালপুর উপজেলার বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের জুলমত শেখের ছেলে।
শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশ জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থেকে গাঁজা নিয়ে লালপুরের রাজিব শেখের কাছে সরবরাহ করতে আসে আহসান হাবীব। এ সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাত্রীকালীন ডিউটির সময় উপজেলার গোপালপুর রেলগেটসংলগ্ন হযরত শাহ সুফী বোরহান উদ্দিন বাগদাদী (রহ.) মাজার জামে মসজিদের সামনে পাকা সড়কে পুলিশ চেকপোস্টে আহসান হাবীব ও আরফিনাকে তল্লাশি করা হয়। এ সময় লক্ষাধিক মূল্যের আড়াই কেজি শুকনো গাঁজা, গাঁজা পরিবহনে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও মাদক বিক্রয়ে যোগাযোগের কাজে ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাদের সঙ্গে রাজিব শেখের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পায় পুলিশ। পরে অভিযান চালিয়ে উপজেলার মনিহারপুর গ্রামে রাজিব শেখের শ্বশুর মো. মহিবুল ইসলামের বাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ঘটনায় এসআই মো. আল মাসুম বাদী হয়ে গ্রেপ্তার তিনজনের বিরুদ্ধে লালপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার আহসান হাবীবের বিরুদ্ধে এর আগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, অস্ত্র আইনের মামলাসহ দেশের বিভিন্ন থানায় কমপক্ষে ৬টি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে, রাজিব শেখের বিরুদ্ধে কুড়িগ্রাম থানায় ২০২৫ সালে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সম্পাদনা : রাশিদুল ইসলাম রাশেদ /উপসম্পাদক/ প্রাপ্তি প্রসঙ্গ/০৯-০১