
-জোসেফ হায়দার:
বাংলাদেশের বিশিষ্ট নিউরোসার্জন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জারী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাটোরের কৃতি সন্তান ডাক্তার মো. মোতাশিমুল হাসান (শিপলু) আজ শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬) রাতে আমার বাসায় এসেছিলো।বাসায় এসে সে আমার অসুস্থ স্ত্রীর সার্বিক খোঁজখবর নেয় এবং গভীর মনোযোগ দিয়ে আমার স্ত্রী মিমির চিকিৎসা সংক্রান্ত অন্যান্য ডাক্তারের সমস্ত প্রেসক্রিপশন পর্যালোচনা করেন।
২০২৩ সালে আমি ব্রেইন স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার AMZ হাসপাতালে এই চিকিৎসকের সফল ব্রেইন অপারেশনের মাধ্যমে এবং মহান আল্লাহ পাকের অসীম রহমতে আমি নতুন জীবন ফিরে পেয়েছি। তাঁর মতো এত বড় মাপের একজন চিকিৎসক যখন নিছক মানবিকতার টানে রোগীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমার আহবানে শত ব্যস্ততার মাঝেও নিজ উদ্যোগে আমার বাসায় চলে আসে তখন কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভাষা সত্যিই হারিয়ে ফেলি।
ডাক্তারী শুধু একটি পেশা নয়, বরং পরম সেবা ও মানবিকতার নাম। শিপলু তুমি আজ আবারও তা প্রমাণ করলে। প্রিয় শিপলু তোমার এই মহানুভবতা ও ভালোবাসা আমি আজীবন স্মরণ রাখবো ভাই।
মহান আল্লাহ পাক যেন তোমাকে দীর্ঘায়ু, সুস্থতা এবং মানবসেবায় নিয়োজিত থাকার অশেষ শক্তি দান করে।
উল্লেখ্য, এর আগে আমার স্ত্রী ২৫০ শয্যার নাটোর জেনারেল হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ এ, এইচ, এম আনিসুজ্জামান পিয়াস এবং সহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন) ডাঃ মোঃ রবিউল আওয়ালের সার্বিক পরিচর্যায় আলহামদুলিল্লাহ্ অনেকটাই সুস্থতা বোধ করে । তাই তাদের প্রতিও আমি কৃতজ্ঞ। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর নাটোরের আরেক কৃতি সন্তান বর্তমানে ঢাকার ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসাইন্স ও হাসপাতালের নিউরোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আশিকুল ইসলাম ও ঢাকার নিটোর (পঙ্গু হাসপাতাল) এর সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ মোঃ তৈমুর রহমান ধৈর্য ও আন্তরিকতা দেখিয়েছেন তাদের জন্যও দোয়া এবং শুভকামনা রইল।
সবশেষে আমার সকল ফেসবুক বন্ধুরা দোয়া করবেন আমার স্ত্রী যেনো দ্রুত সুস্থ হয়ে পূর্বের ন্যায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে।(আমিন)