
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নাটোরের লালপুরের বিলমাড়িয়া ইউনিয়নের পদ্মার চরে পলিশেড হাউজে আধুনিক প্রযুক্তিতে ‘ট্রে’ পদ্ধতিতে উন্নতমানের বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চারা উৎপাদিত হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আব্দুল আউয়াল পলিশেড হাউজ পরিদর্শন করেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপপ্রকল্প পরিচালক মো. মাসুদুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সরকার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও উপকারভোগী কৃষকরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড় জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে ‘বাংলাদেশের চর এলাকায় আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত)’ এর আওতায় ২০০ বর্গমিটার আয়তনের পলিনেট হাউজ স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আধুনিক ট্রে পদ্ধতির মাধ্যমে বছরব্যাপী ফুলকপি, টমেটো, বেগুন, মরিচসহ বিভিন্ন প্রজাতির উচ্চমূল্যের সবজির চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে যেমন রোগমুক্ত ও সবল চারা উৎপাদিত হচ্ছে, তেমনি বৈরী আবহাওয়া থেকেও রক্ষা পাচ্ছে।
পরিদর্শনকালে উপসচিব চরাঞ্চলে নিরাপদ ও আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে চারা উৎপাদনের এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ জিয়াউর রহমান বলেন, উপকারভোগী কৃষকদের আধুনিক পদ্ধতিতে চারা উৎপাদনের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। প্রশিক্ষণ শেষে এই শেড হাউজে আধুনিক প্রযুক্তিতে চারা উৎপাদন করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে সেজন্য প্রকল্প থেকে ৫০০টি ট্রে, ৩০০ কেজি কোকোডাস্টসহ পলিশেড হাউস নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে।
উপকারভোগী কৃষক মো. মাইনুল ইসলাম ও মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, ‘এই শেড হাউসে চারা উৎপাদন করে প্রকল্পের আওতায় কৃষক গ্রুপের অন্যান্য কৃষকদের মাঝে স্বল্প মূল্যে বিক্রি করছি। এছাড়াও উৎপাদিত চারা উৎপাদন খরচের চেয়ে দ্বিগুণ দামে বাজারে বিক্রি করতে পারছি।’