
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সাহিত্য উৎসবে ‘ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম স্মৃতি সম্মাননা পদক’ অর্জন করেছেন পাবনার ঈশ্বরদীর দুই বিশিষ্ট কবি ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সহকারী অধ্যাপক হাসানুজ্জামান এবং কবি ও প্রকৌশলী আলমগীরুল ইসলাম নিউটন।
পদকপ্রাপ্ত সহকারী অধ্যাপক হাসানুজ্জামান পাবনা জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের কার্যনির্বাহী সদস্য এবং কবি ও প্রকৌশলী আলমগীরুল ইসলাম নিউটন সংগঠনটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
কবি ও সংগঠক সহকারী অধ্যাপক হাসানুজ্জামান ঈশ্বরদীর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘নোঙর’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। অন্যদিকে, কবি ও প্রকৌশলী আলমগীরুল ইসলাম নিউটন সংগঠনটির মুখ্য সমন্বয়কারী। গত ৯ অক্টোবর চার দিনের সাহিত্য সফরে তাঁরা ভারতে যান এবং ১৩ অক্টোবর দেশে ফেরেন।
উল্লেখ্য, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. এ.পি.জে. আবদুল কালামের স্মৃতিতে ভারতের কলকাতায় সাহিত্য ও প্রতিভা অন্বেষণমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
শনিবার (১০ অক্টোবর ২০২৬) কলকাতার মৌলালি যুব কেন্দ্রের স্বামী বিবেকানন্দ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলপি থানার অশ্বত্থতলা গ্রামের বাসিন্দা, ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক, আবিষ্কারক, সমাজসেবক ও সাহিত্যিক শ্রী দেবব্রত আদক। তিনি ইনস্টিটিউট অফ ঐশিকের চেয়ারম্যান এবং প্রয়াত ভরতচন্দ্র আদকের মধ্যম পুত্র।
দীর্ঘ ৩৭ বছর তামিলনাড়ুর তিরুচিরাপল্লীতে ভারত হেভি ইলেকট্রিক্যালস লিমিটেডে (বিএইচইএল) কর্মরত থাকাকালীন ড. আবদুল কালামের অনুপ্রেরণা তাঁর কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে জানা যায়।
অনুষ্ঠানে আমেরিকা, নেপাল, বাংলাদেশ, ভুটান-সহ বিভিন্ন দেশ এবং ভারতের একাধিক রাজ্যের বিশিষ্ট সাহিত্যিক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, অধ্যাপক ও চিত্র ও ক্রীড়াজগতের ব্যক্তিত্বরা অংশগ্রহণ করেন।
এদিন দেবব্রত আদক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (অও) বিষয়ে নিজের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। জটিল বিষয়কে সহজভাবে ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি উপস্থিত ব্যক্তিদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে তিনি অনুষ্ঠানের আলোচনাকে সমৃদ্ধ করেন।
ইনস্টিটিউট অফ ঐশিকের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমতী রেবা হালদার এবং প্রাক্তন শিক্ষক, সমাজসেবক ও ‘ঐশরত্ন’ উপাধিপ্রাপ্ত শ্রী বৃন্দাবন আদক।
প্রযুক্তি, সাহিত্য ও গবেষণার মেলবন্ধনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রয়াত ড. আবদুল কালামের আদর্শকে স্মরণ করার পাশাপাশি প্রতিভাবান ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ হয়ে ওঠে।