| |

শিরোনাম
সরকারের ভালো কাজ বাধাগ্রস্ত করতে বিভিন্ন সেক্টরে বসে থাকা ফ্যাসিবাদের দোসররা ষড়যন্ত্র করছে- প্রতিমন্ত্রী পুতুল বিলমাড়ীয়া মডেল একাডেমীর যুগ পূর্তি ও কৃতী সংবর্ধনা সাংবাদিক এস এম রাজার জন্মদিনে কবিতা পাঠ ও সুরের মেলা নবেসুমির আখ মাড়াই শুরু শুক্রবার বিদেশে যাওয়ার আগে কর্মীদের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ- প্রতিমন্ত্রী পুতুল ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার ন্যায়বিচার হবে: প্রতিমন্ত্রী পুতুল লালপুরে জুয়া ও হ্যাকিং চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার প্রতারণা, জুয়া ও মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ১০ ক্যান্ডেল লাইটে স্মৃতিময় এক সন্ধ্যা! অলিগার্করা আমাদের অর্থনীতিতে বিষবৃক্ষের নতুন চারা

সাংবাদিক এস এম রাজার জন্মদিনে কবিতা পাঠ ও সুরের মেলা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বর্ণাঢ্য আয়োজনে পাবনার ঈশ্বরদীতে উদযাপন করা হলো প্রথিতযশা সাংবাদিক, কবি, কলামিস্ট, গীতিকার, সুরকার, শিল্পী, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, সাপ্তাহিক জংশন সম্পাদক, ডিডিপি ও গুরুআশ্রমের চেয়ারম্যান, দৈনিক বিজনেস ফাইলের স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক ডেসটিনি ও ডেইলি বেস্ট নিউজের ঈশ্বরদী প্রতিনিধি, সূফী সাধক গুরুজী এস এম রাজার ৭০তম জন্মদিন এবং ডিডিপির নিয়মিত আয়োজন কবি কন্ঠে কবিতা পাঠ ও সংগীনুষ্ঠান সুরের মেলা ৩৬৬ পর্ব।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ঈশ্বরদী রেলওয়ে মালগুদাম রোডস্থ নিজস্ব কার্যালয়ে জংশন, ডিডিপি, গুরুআশ্রম আয়োজিত এ অনুষ্ঠান হয়।
এস এম রাজার সভাপতিত্বে ও জংশন ডিডিপি গুরু আশ্রমের পরিচালক (প্রশাসন), প্রভাষক আবুল কালাম আজাদ সাঈদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ পুলিশ ঈশ্বরদী ট্রাফিক বিভাগের অফিসার ইনচার্জ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঈশ্বরদী মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. ইসমাইল হোসেন, ঈশ্বরদী
পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আতাউর রহমান পাতা, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ওহেদুজ্জামান টিপু, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম ফজলুর রহমান, ঈশ্বরদী প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মহিদুল ইসলাম, ঢাকা হোমিওপ্যাথি কলেজের অধ্যাপক জাফর সাইদ, রূপপুর হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ওস্তাদ মাসুদ রানা।
শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সতেজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. রুবেল হোসেন, কবি মুনতাজ আলী, কবি শুকুর আল মাহমুদ টুটুল, জাসাস লালপুর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
কবিতা আবৃত্তি করেন কবি মুনতাজ আলী, কবি শুকুর আল মাহমুদ টুটুল, কবি মুনমুন আক্তার, কবি সুবল কুমার পাল, কবি এস এম রাজা প্রমুখ।
সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী এস এম অন্ত, বিশাল, শরৎ, কালাম, আমির, আক্কাস ভান্ডারী, এস এম রাজা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে কোরআন তেলওয়াত ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন কবি শুকুর আল মাহমুদ টুটুল। এর আগে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংগঠনের পক্ষ থেকে গুরুজী এস এম রাজাকে জন্মদিনের ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে আনন্দঘন পরিবেশে অতিথি ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সাথে নিয়ে কেক কাটা হয়। এরপর আমন্ত্রিত মেহমানদের মধ্যে মিষ্টান্ন খাদ্য সামগ্রি ও তবারক বিতরণ করা হয়। প্রচুর সংখ্যক আশেকান জাকেরান, বাউল সাধু গুরু ও দর্শক শ্রোতা গভীর রাত অবধি এই মনোমুগ্ধকর অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন।


বড়াইগ্রাম (নাটোর) প্রতিনিধি, মো. আশরাফুল ইসলাম(এমবিএ মার্কেটিং) নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলায় বাল্য বিয়ে প্রতিরোধে ও নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনন্য অবদান রাখছেন মিনতি রায়। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ ও নারী-স্বাস্থ্য বিষয়ে উঠান বৈঠক ও সেমিনারের মাধ্যমে দীর্ঘ্য ১২/১৩ বছর যাবত সচেতনামূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে আসছেন নিম্নবিত্ত পরিবারের গৃহিনী মিনতি রায়। তিনি উপজেলার বনপাড়া মৃধাপাড়া গ্রামের শারীরিক প্রতিবন্ধী অখিল রায়ের স্ত্রী। তার ১২ বছর ৭ মাস বয়সে দরিদ্র পরিবারে বিয়ে হয়। তিনি ২ সন্তানের জননী। বাল্যকালে বিয়ে হওয়ায় যেসব অসুবিধার মুখোমুখি হয়েছেন, সেগুলো নিয়ে সচেতনামূলক উঠান বৈঠক শুরু করেন। উঠান বৈঠকে বাল্য বিয়ের কুফল, বাল্য বিয়ে বন্ধের প্রয়োজনীয়তা, বাল্য বিয়ে বন্ধের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সেমিনার করেন পাশের গ্রাম গুনাইহাটি, ছাতিয়ানগাছা গ্রামে। নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে অনন্য অবদান রাখছেন। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মেয়েদের অধিকার রক্ষায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে তিনি বিভিন্ন সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন ও উঠান বৈঠক পরিচালনা করেন। এছাড়া, নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পিরিয়ডকালীন স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে তিনি চিকিৎসকদের সহায়তায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্য ক্যাম্পের আয়োজন করে আসছেন। তাঁর এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ অঞ্চলের শত শত কিশোরী অকাল বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে এবং নিজেদের স্বাস্থ্য সচেতনতা সম্পর্কে জানতে পারছে। সংক্ষেপে বলা যায়, অনিকা রায়ের এই নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা সমাজে বাল্যবিবাহের হার কমাতে এবং নারী স্বাস্থ্যের উন্নয়নে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি সকল ধর্মের মানুষের কাছে বসেন ও তাদের দুঃখ-কষ্টের কথা শুনেন। ধীরে, ধীরে তাদের একত্রিত করে তিনি “আমরা স্বাধীন মহিলা সমবায় সমিতি লিঃ ” নামে একটি সংগঠন তৈরী করলেন এবং তাদের নিয়ে সমাজ থেকে কিভাবে বাল্য বিবাহ দুর করা যায় সে বিষয়ে সেমিনার করেন। এক জন কন্যা শিশু অল্প বয়সে বিয়ে দিলে তার শরীর, মন ভেঙ্গে পড়ে, পিতা-মাতা ছেড়ে নতুন বাড়িতে গিয়ে সবার সাথে খাপখাইয়ে চলতে ব্যর্থ হয়, সংসারে নেমে আসে অশান্তি। ফলে পরিবারে সৃষ্টি হয় বিভাজন, কখনো বিচ্ছেদ। বিয়ের বছর ঘুরতে না ঘুরতেই গর্ভে আসে বাচ্চা। অপ্রাপ্ত বয়সে পড়তে হয় বিভিন্ন স্বাস্থ্য ঝুকিতে। এ বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেন সেমিনারে। তার পরামর্শে অনেক বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়েছে। নারী রোগাক্রান্ত রোগীদের নিয়ে সেচ্ছায় চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। এসব সেবা প্রদান করায় তিনি এলাকার মহিলাদের হয়ে উঠেছেন মমতাময়ী মা। তিনি সফল উদ্যোক্তা। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে দক্ষ উদ্যোক্তা হয়ে উঠবেন ও সরকারী কার্যক্রমে সহায়ক হিসেবে ভূমিকা পালন করতে পারবেন।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.