
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নাটোরের লালপুরে জুয়েলার্সের দোকানে সচেতনতামূলক স্টিকার লাগিয়ে বিশেষ সতর্কবার্তা প্রচারণা কার্যক্রম চালিয়েছে থানা পুলিশ। একই সঙ্গে স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের ক্রয়-বিক্রয় সংক্রান্ত তথ্য সঠিকভাবে রেজিস্ট্রারে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম পলাশের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন জুয়েলার্সের দোকান গিয়ে এই কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে লাগানো স্টিকারে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘স্বর্ণ বা অলংকার’ বন্ধক রেখে আর্থিক লেনদেন আইন বহির্ভূত কাজ। এ ধরনের লেনদেন থেকে বিরত থাকুন। এছাড়াও প্রয়োজনবোধে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, স্বর্ণ বা অলংকার ক্রয়ের সময় বিক্রেতার পূর্ণ পরিচয় এবং লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য রেজিস্ট্রারে সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক। এতে চোরাই স্বর্ণের কেনাবেচা কিংবা কোনো অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠলে দ্রুত যাচাই-বাছাই করা সহজ হবে।
এ বিষয়ে ওসি শফিকুল ইসলাম পলাশ বলেন, চোরাই স্বর্ণের কেনাবেচা ও স্বর্ণকে কেন্দ্র করে সংঘটিত অপরাধ প্রতিরোধে ব্যবসায়ীদের সচেতন করা হচ্ছে। প্রতিটি লেনদেনে বিক্রেতার পরিচয় নিশ্চিত করে তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। পাশাপাশি স্বর্ণ বা অলংকার বন্ধক রেখে কোনো ধরনের অবৈধ আর্থিক লেনদেন না করার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার সকল ভাংগাড়ি ব্যবসাযীদেরকেও এই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
তিনি বলেন, প্রতি সপ্তাহে বিট পুলিশ কর্মকর্তারা এসব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে লেনদেনের রেজিস্ট্রার নিয়মিত তদারকি করবেন। কোনো ধরনের সন্দেহজনক লেনদেন, ব্যক্তি বা কর্মকাণ্ড নজরে এলে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করার জন্য তিনি ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যবসায়ী ও পুলিশের পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ব্যবসায়ীদের সচেতনতা ও পুলিশের নিয়মিত নজরদারির মাধ্যমে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।