| |

শিরোনাম
পিএইচপিতে সাইবারঝুঁকি ও বৃটেনে তিনদিনের রসদশঙ্কা প্রসঙ্গ লালপুরে বিদেশি পিস্তল ও ম্যাগাজিন উদ্ধার বাউয়েটে ১৬তম ব্যাচ ও এমএ ইন ইংলিশ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত বড়াইগ্রামে চলনবিল পুনরুদ্ধার ও ভূমি-পানি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রাস্তা-ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কঠোর আল্টিমেটাম ইউএনও-র  মেহমানের ব্যস্ততার ফাঁকে প্রাণ গেল দুই চাচাতো বোনের ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যার বিচার দাবি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিনামূল্যে চিকিৎসায় ‘এলিট থেরাপি কেন্দ্র’ উদ্বোধন শুভ জন্মদিন প্রতিমন্ত্রী ফারজনা শারমীন পুতুল বাউয়েটের বড়াল হলের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

পিএইচপিতে সাইবারঝুঁকি ও বৃটেনে তিনদিনের রসদশঙ্কা প্রসঙ্গ

-প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম।

প্রযুক্তির একটি দুর্বলতা কীভাবে কোটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিতে পারে, আর খাদ্য সরবরাহব্যবস্থার সামান্য বিঘ্ন কীভাবে একটি উন্নত দেশেও জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে পারে, এ দুটি প্রশ্ন আজকের বিশ্বব্যবস্থার গভীর সংকটের সঙ্গে সম্পর্কিত। একদিকে ওয়েবসাইট, অনলাইন ব্যবসা, আর্থিক লেনদেন ও সরকারি সেবায় বহুল ব্যবহৃত পিএইচপি প্রোগ্রামিং ভাষার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ; অন্যদিকে বৃটেনে মাত্র তিন দিনের খাদ্য সরবরাহ নিয়ে আশঙ্কার খবর। প্রথমটি ডিজিটাল অবকাঠামোর দুর্বলতার কথা বলে, দ্বিতীয়টি খাদ্যব্যবস্থার ভঙ্গুরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। দুটি বিষয়কে এক সুতোয় গাঁথলে স্পষ্ট হয় যে, আধুনিক সমাজে প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি থাকলেই মানুষের মৌলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না।

তবে শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য মনে রাখা প্রয়োজন। পিএইচপি হলো একটি জনপ্রিয় সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা, যা মূলত ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়। পিএইচপি -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে, ‘পিএইচপি হাইপারটেক্সট প্রি-প্রসেসর’। সহজ ভাষায়, আপনি কোনো ওয়েবসাইটে লগইন করলে, অনলাইনে কেনাকাটা করলে কিংবা কোনো ফরম পূরণ করে তথ্য জমা দিলে সেই কাজগুলোর পেছনে পিএইচপি -এর মতো প্রোগ্রামিং ভাষা কাজ করতে পারে। পিএইচপি নিজে কোনো ভাইরাস বা ক্ষতিকর সফটওয়্যার নয়। তবে পিএইচপি দিয়ে তৈরি কোনো ওয়েবসাইটে প্রোগ্রামিংয়ের ভুল, পুরোনো সফটওয়্যার, দুর্বল পাসওয়ার্ড কিংবা নিরাপত্তা হালনাগাদের অভাব থাকলে হ্যাকাররা সুযোগ নিতে পারে। সম্ভাব্য ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে: ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, ওয়েবসাইটের নিয়ন্ত্রণ দখল, অনলাইন লেনদেন বা সেবা ব্যাহত করা, ডেটাবেজের তথ্য পরিবর্তন বা মুছে ফেলা ইত্যাদি।

পিএইচপি একটি প্রোগ্রামিং ভাষা তাই এর কোনো নির্দিষ্ট সংস্করণে নিরাপত্তা দুর্বলতা থাকলেই সব পিএইচপি-নির্ভর ওয়েবসাইট বিপজ্জনক হয়ে পড়ে না। ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি পিএইচপি। দীর্ঘদিন ধরে এটি ওয়েবসাইট, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম, কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং বিভিন্ন অনলাইন সেবার পেছনে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ওয়ার্ডপ্রেসসহ বহু জনপ্রিয় ওয়েবভিত্তিক ব্যবস্থার সঙ্গে পিএইচপির সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই ভাষায় লেখা কোনো সফটওয়্যার, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন কিংবা সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিতে দুর্বলতা থাকলে তার প্রভাব একটি প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে সীমাবদ্ধ না-ও থাকতে পারে। তবে ঝুঁকির প্রকৃত মাত্রা নির্ভর করে দুর্বলতার ধরন, ব্যবহৃত সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ, সার্ভারের কনফিগারেশন এবং সংশ্লিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের নকশার ওপর।

২০২৬ সালের ২১ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নিরাপত্তা সংস্থা (CISA), বৃটেনের ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি সেন্টার (NCSC) এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো পিএইচপির দুটি গুরুতর নিরাপত্তা দুর্বলতা সম্পর্কে সতর্কতা জারি করে। দুর্বলতা দুটি হলো CVE-2026-109618 ও CVE-2026-109619। এগুলো কাজে লাগিয়ে কোনো কোনো পরিস্থিতিতে আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর পূর্বানুমোদন ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারে ক্ষতিকর কোড চালাতে পারে। এই ঝুঁকিকে ঘিরে ‘PHP2Shell’ নামটিও আলোচনায় এসেছে। নিরাপত্তা সংশোধনী প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত হালনাগাদ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এখানে বিপদের মূল কারণ পিএইচপি ভাষাটি নয়, বরং এর ভেতরে থাকা ত্রুটি এবং সেগুলো সংশোধন না করে ঝুঁকিপূর্ণ সার্ভার চালু রাখা। সফটওয়্যারের অভ্যন্তরীণ মেমোরি ব্যবস্থাপনায় সমস্যা তৈরি হলে আক্রমণকারী সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার সুযোগ পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ওয়েবসাইটের তথ্য চুরি, ব্যবহারকারীর পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস, অনলাইন সেবা অচল করা কিংবা প্রতিষ্ঠানের অন্য সংযুক্ত ব্যবস্থায় প্রবেশের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।

পিএইচপির নিরাপত্তা সমস্যাটি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার আরেকটি কারণ হলো এর ব্যাপক ব্যবহার। ছোট ব্যবসার ওয়েবসাইট থেকে শুরু করে সংবাদমাধ্যম, অনলাইন বিপণন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবার পেছনে পিএইচপি থাকতে পারে। একটি ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য সংগ্রহ, ডেটাবেজের সঙ্গে যোগাযোগ এবং অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনায় এই প্রযুক্তি ভূমিকা রাখে। ফলে কোনো বহুল ব্যবহৃত প্রযুক্তির দুর্বলতা একই সময়ে বহু প্রতিষ্ঠানের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। পুরোনো সংস্করণ, নিয়মিত নিরাপত্তা হালনাগাদের অভাব, অপর্যাপ্ত নজরদারি এবং দুর্বল সার্ভার ব্যবস্থাপনা বিপদ বাড়িয়ে দেয়।

এর সম্ভাব্য প্রভাব শুধু প্রযুক্তিগত ক্ষতির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অনলাইন ব্যাংকিং, ই-কমার্স কিংবা সরকারি ডিজিটাল সেবার সঙ্গে যুক্ত ব্যবস্থা আক্রান্ত হলে সাধারণ মানুষ লেনদেনে বাধা, সেবা গ্রহণে বিলম্ব এবং ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের মুখে পড়তে পারেন। কোনো প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি হলে আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি সুনামহানিও হতে পারে। হাসপাতাল, পরিবহন কিংবা জরুরি সেবার সঙ্গে যুক্ত ডিজিটাল ব্যবস্থা বিঘ্নিত হলে পরিস্থিতি আরও গুরুতর হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কের পরিবর্তে দ্রুত ও পরিকল্পিত প্রতিরোধই সবচেয়ে কার্যকর পথ। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রথম কাজ হলো তাদের সার্ভার ও সফটওয়্যারে পিএইচপির কোন সংস্করণ চলছে, তা শনাক্ত করা। এরপর নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে নিরাপত্তা সংশোধনী প্রয়োগ, সন্দেহজনক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, ব্যাকআপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনে আক্রান্ত ব্যবস্থাকে সাময়িকভাবে নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করতে হবে। শুধু ওয়েবসাইটের সফটওয়্যার হালনাগাদ করলেই হবে না; যে পিএইচপি রানটাইমে ওয়েব অনুরোধ প্রক্রিয়াকরণ হচ্ছে, সেটিও সংশোধিত সংস্করণে আছে কি না যাচাই করতে হবে। পুরোনো ও সমর্থনহীন সংস্করণ ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ঝুঁকি আরও বেশি।

কিন্তু বৃটেনে তিন দিনের রসদ সংগ্রহে রাখা কেন এত আলোচনার জন্ম দিল? ২৩ অক্টোবর ২০২৬-এ রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃটিশ সরকার ‘বি রেডি’ প্রচারণার আওতায় নাগরিকদের বাড়িতে অন্তত তিন দিনের জরুরি সরবরাহ রাখার পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে পানীয় জল, দীর্ঘদিন সংরক্ষণযোগ্য খাবার এবং জরুরি প্রয়োজনে কাজে লাগবে এমন প্রয়োজনীয় সামগ্রী। সাইবার হামলার আশঙ্কা, জলবায়ুজনিত দুর্যোগ এবং অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে নাগরিকদের প্রস্তুত রাখাই এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার: বৃটেনের সরকার জরুরি পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক সরবরাহব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হলে নাগরিকেরা যেন নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারেন, সেই প্রস্তুতি নিতে বলেছে। কিন্তু ‘তিন দিনের খাদ্যসংকট’ ধরনের শিরোনাম কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরঞ্জিত প্রচার এই সতর্কতাকে খাদ্য ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা হিসেবে উপস্থাপন করতে পারে। সেখানেই জনভীতির জন্ম।

বৃটেনের মতো উন্নত দেশেও এমন প্রস্তুতির প্রয়োজন কেন? আধুনিক খাদ্যব্যবস্থা উৎপাদনের পাশাপাশি পরিবহন, গুদামজাতকরণ, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, ডিজিটাল যোগাযোগ, ব্যাংকিং এবং খুচরা বিক্রির সমন্বয়ের ওপর নির্ভরশীল। সুপারমার্কেটের তাক প্রতিদিন ভরে ওঠার পেছনে রয়েছে বিস্তৃত সরবরাহশৃঙ্খল। খাদ্য মজুত থাকলেও পরিবহনব্যবস্থা অচল হলে কিংবা অর্থ পরিশোধের ডিজিটাল ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে মানুষের কাছে খাদ্য পৌঁছানো কঠিন হতে পারে। বন্দর, গুদাম, সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান অথবা যোগাযোগব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে এর প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সাইবার হামলা এই ঝুঁকির একটি সম্ভাব্য উৎস। কোনো আক্রমণকারী সরবরাহব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থা অচল করে দিলে পণ্য পরিবহনের সময়সূচি, মজুতের হিসাব, অর্ডার ব্যবস্থাপনা কিংবা অর্থ পরিশোধে সমস্যা হতে পারে। তবে পিএইচপির দুর্বলতার কারণে বৃটেনের খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিতভাবেই বন্ধ হয়ে যাবে, এমন দাবি করার ভিত্তি নেই। সরকার যে তিন দিনের জরুরি প্রস্তুতির পরামর্শ দিয়েছে, সেটিকে নির্দিষ্ট একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির অনিবার্য পরিণতি হিসেবে দেখাও ভুল। বরং বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকির সম্মিলিত প্রেক্ষাপটে নাগরিক প্রস্তুতির গুরুত্ব বেড়েছে।

জনভীতির সবচেয়ে বড় বিপদ হলো, গুজব বাস্তব সমস্যাকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। মানুষ যদি মনে করেন আগামী কয়েক দিনের মধ্যে খাবার পাওয়া যাবে না, তাহলে প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য কিনে মজুত করতে পারেন। এতে দোকানে সাময়িক ঘাটতি তৈরি হতে পারে, দাম বাড়তে পারে এবং যাঁদের আর্থিক সামর্থ্য কম, তাঁরা বেশি সমস্যায় পড়তে পারেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যাচাইহীন খবর ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক আরও বাড়তে পারে। ফলে কোনো সতর্কতামূলক উদ্যোগের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত নাগরিকদের প্রস্তুত করা, আতঙ্কিত করা নয়।

বৃটেনের সতর্কবার্তা বাংলাদেশের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে খাদ্য সরবরাহব্যবস্থা বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জ্বালানি সংকট, পরিবহন বিঘ্ন ও বাজারের অস্থিরতায় প্রভাবিত হতে পারে। একই সঙ্গে সরকারি সেবা, ব্যাংকিং, অনলাইন ব্যবসা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল অবকাঠামো সাইবার ঝুঁকির মুখে রয়েছে। তাই খাদ্যনিরাপত্তা ও সাইবার নিরাপত্তাকে পৃথক বিষয় হিসেবে দেখলে চলবে না। খাদ্য আমদানি, গুদাম ব্যবস্থাপনা, পরিবহন, বাজারদর পর্যবেক্ষণ এবং সরকারি ভর্তুকি বিতরণের সঙ্গে প্রযুক্তির সম্পর্ক ক্রমেই বাড়ছে। এই ব্যবস্থাগুলোর নিরাপত্তা দুর্বল হলে সরাসরি খাদ্য উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত না হলেও সরবরাহ ও বণ্টনে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পিএইচপির নিরাপত্তা দুর্বলতা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে ডিজিটাল ব্যবস্থার একটি ত্রুটিও ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আর বৃটেনের তিন দিনের জরুরি খাদ্য, রসদ প্রস্তুতির পরামর্শ দেখায়, উন্নত অবকাঠামো থাকলেও সংকট মোকাবিলায় বিকল্প প্রস্তুতির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় না। তবে সতর্কতাকে আসন্ন বিপর্যয়ের ঘোষণা হিসেবে দেখার কোনো কারণ নেই। নিরাপত্তার মূলনীতি হলো, ঝুঁকি শনাক্ত করা, আগাম প্রস্তুতি নেওয়া, নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা এবং সংকটের সময় সহযোগিতা বজায় রাখা। আতঙ্ক নয়, প্রস্তুতিই মানুষের প্রকৃত সুরক্ষা। সেটা আমাদের দেশেও সহসা করতে হতে পারে।

* প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন। E-mail: [email protected]

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.