মঙ্গলবার | ১১ আগস্ট, ২০২৬ | ২৭ শ্রাবণ, ১৪৩৩

শিরোনাম
গ্যাস বিস্ফোরণে স্বামী, স্ত্রী ও ছেলের মৃত্যু, লাশ আনার টাকা দিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীর পুতুলের মধ্যাহ্নভোজ জনগণের কল্যাণে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে পরীক্ষার ফল জানা হলো না মারুফের দুই মাদ্রাসার ফলাফল শুন্য, গড় পাশের হার ৪৬ ভাগ পড়াশুনার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে-প্রতিমন্ত্রী পুতুল সাবেক প্রতিমন্ত্রী পটলের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ ২০ জন শিক্ষক কর্মচারীর ২০ জন শিক্ষার্থী, শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য বকের মায়াজালে প্রাণ গেল ছোট্ট বাধনের লালপুরে স্ত্রীসহ গাইবান্ধার কুখ্যাত আহসান হাবীব আটক

মহাসড়কে ডাকাতির সাথে জড়িত ১১ জন গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা :
রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন মহাসড়ক ও এলাকায় দুর্ধর্ষ ডাকাতির সাথে জড়িত সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সর্দারসহ ১১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৩)।
র‌্যাব জানিয়েছে, রাজধানীর কদমতলী এলাকা থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র এবং ডাকাতির সরঞ্জামসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
মঙ্গলবার (২ জানুয়ারি ২০২৪) রাজধানীর টিকাটুলিতে র‌্যাব-৩ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফ মহিউদ্দিন এ তথ্য জানান।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আবুল হোসেন (৩৫), মো. মাসুদ রানা (২৬), জসিম মিয়া (৩৩), রহমত আলী (২৮), নয়ন মিয়া (২৪), মো. ইব্রাহীম (২৬), মো. ইদ্রিস (২৩), মো. কফিল উদ্দিন (৩২), হাসান আলী (২৩), জুয়েল (৩৫) ও মো. আলমাস (২৭)।
এ সময় ডাকাত সদস্যদের কাছ থেকে ডাকাতি করে নেওয়া একটি পিকআপসহ ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত দুটি চাপাতি, ছুরি, চারটি গামছা, তিনটি রশি, ১১টি মোবাইল ফোন, একটি হাতঘড়ি ও সাত হাজার টাকাসহ বিভিন্ন জিনিস উদ্ধার করা হয়।
আরিফ মহিউদ্দিন বলেন, গত ৩১ ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার লালমাই থানাধীন কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কে গতিরোধ করে মালামালসহ পন্যবাহী পিকআপ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কুমিল্লা জেলার লালমাই থানায় ৩১ ডিসেম্বর অজ্ঞাত ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতির মামলা করা হয়। এতে জড়িত আসামীদেরকে আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব-৩ গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। র‌্যাব-৩ এর একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩১ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর কদমতলী থানাধীন মুক্তি ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন সাকিব টি-স্টলের সামনে অভিযান চালিয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাদের গ্রেপ্তার করে।
তিনি বলেন, এই ডাকাত দলটির সদস্যরা বর্তমানে রাজধানী ঢাকা এবং নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে। তারা দৃশ্যমান পেশা হিসেবে বিভিন্ন পেশায় কাজ করলেও ডাকাতিই তাদের মূল পেশা। গ্রেপ্তারকৃত আবুলের নেতৃত্বে সংগঠিত হওয়ার পর হতে অদ্যাবধি তারা বেশকয়েকটি মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহন, বাস, ঘরবাড়ি ও দোকানে ডাকাতি এবং প্রবাসী যাত্রীদের টার্গেট করে ডাকাতির ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত আবুল হোসেন পেশায় একজন ট্রাকচালক। তার এই পেশার আড়ালে তিনি সরাসরি ডাকাত দলটির নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তার সাথে অন্যতম সহযোগী হিসেবে মাসুদ রানা ডাকাতির কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। মাসুদ মূলত একজন মাছ ব্যবসায়ী এবং তার ব্যবসার আড়ালে ডাকাতি করতেন।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.