| |

শিরোনাম
বড়াইগ্রামে তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু না ফেরায় দেশে চলে গেলেন রাজু জাতিসংঘের ঘোষিত ছয় অগ্রাধিকার ও বিশ্ব বাস্তবতা স্মার্টফোনে ফাস্ট চার্জিং ও রিভার্স চার্জিংয়ের সুবিধা আকামার মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলে অর্থ হাতিয়ে নেয় প্রতারক চক্র অটোরিক্সার সংখ্যা যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি! জবিতে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী পুতুলের সঙ্গে এলিট ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘শিক্ষার্থীদের পরিশ্রমী, সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে হবে –নাটোর জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তার কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুলে ১২২ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

অটোরিক্সার সংখ্যা যখন প্রয়োজনের চেয়ে বেশি!

-প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম।
ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা নিঃসন্দেহে নগর, শহর, গ্রামীণ সকল মানুষের জীবনযত্রায় একটি সহজপন্থায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে। দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য এটি সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং কর্মসংস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া, রোগীকে হাসপাতালে পৌঁছানো, শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের যাতায়াত, সব ক্ষেত্রেই ইজিবাইক ও অটোরিকশার ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু অধূনা সমস্যা হচ্ছে, যত্রতত্র গিজগিজ করে দাঁড়িয়ে থেকে মানুষের সহজ চলার পথকে থমকে দিচ্ছে এই জনপ্রিয় যানবাহন। আজকাল রাস্তাঘাটে অটোরিক্সার বহর এত বেশী তা দেখে বুঝার উপায় নেই এদের জন্মদাতা ও নিয়ন্ত্রণকারী আছে কি-না! আমাদের দেশের প্রয়োজনীয় গণ পরিবহনব্যবস্থা আর নিয়ন্ত্রণহীন পরিবহনবিস্ফোরণের মধ্যে এখন পার্থক্য করা যাচ্ছে না।
তবে সারা দেশে এসব অটোরিক্সার সংখ্যা কত তা রাষ্ট্রই এখনও সঠিক জানে না! এই সংকটের প্রথম চিত্রটিই উদ্বেগজনক। দেশে মোট ব্যাটারিচালিত রিকশা বা ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলারের নির্ভরযোগ্য জাতীয় সংখ্যা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ২০২৫ সালে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ-সংশ্লিষ্ট আলোচনায় বিআরটিএর হিসাব হিসেবে দেশে ৬০ লাখের বেশি ব্যাটারিচালিত রিকশা থাকার কথা সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকায় এর সংখ্যা ১০–১২ লাখ পর্যন্ত বলা হয়েছে। আবার অন্য গবেষণা ও শিল্পসংশ্লিষ্ট হিসাব প্রায় ৪০ লাখ ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলারের কথা বলেছে।
এই পার্থক্যই বলে দেয়, প্রথম কাজ হলো গণনা করা। কতগুলো নিবন্ধিত, কতগুলো অনিবন্ধিত, কতগুলো ইজিবাইক, কতগুলো অটোরিকশা, কতগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি, কতগুলো আমদানি করা, কতগুলো লিড-অ্যাসিড ব্যাটারিচালিত, রাষ্ট্রের কাছে তার পূর্ণাঙ্গ ডিজিটাল তথ্যভান্ডার থাকা দরকার। কারণ যে যানবাহনের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না, তার বিদ্যুৎ চাহিদা, পরিবেশগত প্রভাব কিংবা ভবিষ্যৎ নীতি কীভাবে নির্ধারণ করা হবে?
আমাদের গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে অটোরিকশার সম্পর্ক এখন গভীর। একজন বেকার যুবক অটো চালিয়ে আয় করছেন, একজন কৃষক দ্রুত বাজারে যাচ্ছেন, একজন রোগী সহজে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছেন, এসবই ইতিবাচক পরিবর্তন। কিন্তু যখন একই রাস্তার কয়েকশ মিটারের ব্যবধানে একাধিক অটো দাঁড়িয়ে থাকে, যখন যাত্রী পাওয়ার জন্য অটোচালকদের প্রতিযোগিতা শুরু হয়, যখন প্রয়োজনের তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ে যায়, তখন এটি আর শুধু পরিবহনব্যবস্থার বিষয় থাকে না; এটি হয়ে ওঠে নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনার, জ্বালানি ব্যবস্থাপনার, স্বাস্থ্য এবং পরিবেশনীতির বিষয়।
বিশেষ করে গ্রাম ও উপজেলা শহরের অলিগলি, বাজার, স্কুল-কলেজের সামনে এবং আবাসিক এলাকায় অটোর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। পথচারীর জায়গা সংকুচিত হচ্ছে। শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধী মানুষের নিরাপদ চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। অটোর সহজলভ্যতার কারণে মানুষ অল্প দূরত্বেও হাঁটার অভ্যাস হারাচ্ছে।
শারীরিক পরিশ্রমের জায়গা যত কমছে, ততই বাড়ছে নিষ্ক্রিয় জীবনযাপনের ঝুঁকি। এটি কেবল ব্যক্তিগত অভ্যাসের বিষয় নয়; জনস্বাস্থ্যের বিষয়। হাঁটা মানুষের সবচেয়ে সহজ, বিনামূল্যের এবং প্রাকৃতিক শারীরিক ব্যায়াম। প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় চলাচল যদি যান্ত্রিক বাহননির্ভর হয়ে পড়ে, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে শারীরিক সক্রিয়তা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগসহ অসংক্রামক রোগের ঝুঁকিও সামাজিক ব্যয়ের কারণ হতে পারে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, অটোর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের মোট চাহিদা কত বাড়ছে, তার নির্ভরযোগ্য জাতীয় হিসাব প্রয়োজন। শুধু অটোরিক্সা বিদ্যুৎ খায় বললে হবে না। এজন্য প্রতিটি যান দৈনিক কত ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, চার্জিংয়ে কত ক্ষতি হয়, কোন সময়ে সর্বোচ্চ লোড সৃষ্টি হয়, কোন এলাকায় গ্রিডে চাপ বেশি পড়ে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
সাম্প্রতিক গবেষণাতেও বাংলাদেশের ইলেকট্রিক থ্রি-হুইলার বা ইজি বাইক-এর চার্জিং, লোড এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে গবেষণার প্রয়োজনীয়তা উঠে এসেছে। চার্জিং হাবের লোড নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত চার্জার এবং সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক চার্জিংয়ের মতো সমাধানও আলোচিত হচ্ছে।
অটোরিক্সার সবচেয়ে ভয়ংকর সমস্যা হলো লিড ব্যাটারি। প্রতিদিন অটোর বিস্তার যত বাড়ছে, তত বাড়ছে ব্যাটারির চাহিদা। আর পুরোনো ব্যাটারি কোথায় যাচ্ছে এই প্রশ্নের উত্তরই আমাদের সবচেয়ে বেশি ভাবতে হবে।
বাংলাদেশে ব্যবহৃত লিড-অ্যাসিড ব্যাটারি ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইউএনইপি-এর মূল্যায়নে উদ্বেগজনক চিত্র পাওয়া গেছে। দেশে এক হাজারের বেশি অনানুষ্ঠানিক ও অবৈধ ব্যবহৃত লিড-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ইউএনইপি আরও জানিয়েছে, ব্যবহৃত লিড-অ্যাসিড ব্যাটারির বিপুল অংশ অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত হয়। এই ব্যাটারির ভেতরে থাকা সীসা বা লিড অত্যন্ত বিষাক্ত ভারী ধাতু। পুরোনো ব্যাটারি যদি খোলা জায়গায় ফেলে রাখা হয়, ভেঙে ফেলা হয় কিংবা অনিরাপদভাবে গলানো হয়, তাহলে সীসা মাটি, পানি ও বাতাসে ছড়িয়ে পড়তে পারে। একটি গবেষণায় বাংলাদেশের একটি লিড-অ্যাসিড ব্যাটারি পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার আশপাশের মাটি, ফসল ও পানিতে উল্লেখযোগ্য লিড দূষণের প্রমাণ পাওয়া গেছে; ওই গবেষণায় ভূগর্ভস্থ পানিতে ডব্লিউএইচও-র নির্দেশিকার তুলনায় বহুগুণ বেশি লিডের উপস্থিতিও পাওয়া গেছে।
অর্থাৎ যে অটো আমাদের ঘরের দরজায় দ্রুত পৌঁছে দিচ্ছে, তার জীবনের শেষ পর্যায়ের ব্যাটারি যদি নিরাপদ ব্যবস্থাপনার বাইরে চলে যায়, তাহলে সেই ব্যাটারি শেষ পর্যন্ত আমাদের মাটি, পানি, খাদ্যশৃঙ্খল এবং মানুষের শরীরে ফিরে আসতে পারে। তাই এটিকে শুধু পরিবেশগত সমস্যা ভাবলে ভুল হবে। এটা আমাদের দেশর জনস্বাস্থ্যেরও সমস্যা বটে।
তাইতো কেমন হওয়া উচিত অটোরিকশা ব্যবস্থাপনার নীতিমালা তা এখনই ঠিক করতে হবে। প্রথমত, দেশে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার একটি জাতীয় ডিজিটাল ডাটাবেস তৈরি করতে হবে। কোন জেলায় কত অটো, কোন মালিকের কতটি, কোন ধরনের ব্যাটারি ব্যবহৃত হচ্ছে, কোথায় চার্জ হচ্ছে, এসব তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে।
দ্বিতীয়ত, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে চাহিদাভিত্তিক যানবাহন কোটা নির্ধারণ করা যেতে পারে। যেখানে প্রয়োজনের তুলনায় যান বেশি, সেখানে নতুন নিবন্ধন সীমিত করতে হবে। আবার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গণপরিবহনের ঘাটতি থাকলে পরিকল্পিতভাবে অটো অনুমোদন দেওয়া যেতে পারে।
তৃতীয়ত, চার্জিং স্টেশনকে সম্পূর্ণ অনিয়ন্ত্রিত রাখা যাবে না। বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে অনুমোদিত চার্জিং হাব গড়ে তুলতে হবে। যেখানে সম্ভব, সৌরবিদ্যুৎভিত্তিক চার্জিং ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। একই সঙ্গে নিম্নমানের চার্জার ও বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ করতে হবে।
চতুর্থত, নতুন ব্যাটারি বিক্রি করলে পুরোনো ব্যাটারি ফেরত নেওয়া বাধ্যতামূলক করতে হবে। ব্যাটারির ওপর পরিবেশ-জামানত বা ডিপোজিট-রিফান্ড ব্যবস্থা চালু করা যেতে পারে। পুরোনো ব্যাটারি ফেরত দিলে মালিক অর্থ ফেরত পাবেন; ফলে ব্যাটারি খোলা জায়গায় ফেলার প্রবণতা কমবে।
পঞ্চমত, প্রতিটি ব্যাটারিতে ইউনিক কোড বা ট্র্যাকিং ব্যবস্থা থাকা উচিত। কোন ব্যাটারি কোথায় বিক্রি হয়েছে এবং মেয়াদ শেষে কোথায় পুনঃপ্রক্রিয়াজাত হয়েছে তার ডিজিটাল রেকর্ড থাকতে হবে। চলতি ২০২৬ সালের একটি নীতিগত আলোচনাতেও ব্যবহৃত ব্যাটারি নিরাপদ ব্যবস্থাপনায় ট্র্যাকিং, আর্থিক প্রণোদনা ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
ষষ্ঠত, অনিবন্ধিত ও অনিরাপদ ব্যাটারি গলানোর কারখানার বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে হবে। তবে শুধু অভিযান দিয়ে হবে না। নিরাপদ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পকে কর-সুবিধা, প্রযুক্তিগত সহায়তা ও সহজ ঋণের মাধ্যমে উৎসাহিত করতে হবে। কারণ অনানুষ্ঠানিক খাতকে শুধু নিষিদ্ধ করলে তারা গোপনে চলে যাবে; বরং নিরাপদ আনুষ্ঠানিক অর্থনীতিতে তাদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
সপ্তমত, অটোর চালকদের প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা দরকার। ট্রাফিক আইন, যাত্রী নিরাপত্তা, ব্যাটারি রক্ষণাবেক্ষণ, বিদ্যুৎ নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ঝুঁকি সম্পর্কে তাদের প্রশিক্ষণ দিতে হবে। আমাদের নীতিনির্ধারকদের মনে রাখতে হবে, অটোরিক্সা নয়, অনিয়ন্ত্রিত অটোই বড় সমস্যা। তবে বাংলাদেশের বাস্তবতায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা এক ধরনের সামাজিক-অর্থনৈতিক বাস্তবতা। হাজার হাজার পরিবার এর সঙ্গে যুক্ত। তাই হঠাৎ নিষেধাজ্ঞা বাস্তবসম্মত নয়। প্রয়োজন ধাপে ধাপে জাতীয় ব্যাটারিচালিত থ্রি-হুইলার নীতিমালা প্রণয়ন করা।
এই নীতিমালায় থাকতে হবে, যানবাহনের নিবন্ধন, সংখ্যা নির্ধারণ, রুট ব্যবস্থাপনা, চার্জিং অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ব্যবহার, ব্যাটারির মান, ব্যাটারি আমদানি ও উৎপাদন, পুরোনো ব্যাটারি সংগ্রহ, পরিবেশসম্মত পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ, চালকের প্রশিক্ষণ, পথচারীর অধিকার, দুর্ঘটনা ব্যবস্থাপনা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়নের বিধান। এবং প্রতি বছর ৩-৪ মাস পর পর এই নীতিমালার ইমপ্যাক্ট এ্যসেসমেন্ট করতে হবে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, যে পরিবহনব্যবস্থা আজ দরিদ্র মানুষের সময় বাঁচাচ্ছে, সেটি যদি আগামীকাল আরো বেশী বিদ্যুৎ সংকট বাড়ায়, মাটি-পানি দূষিত করে এবং মানুষকে শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় করে তোলে, তাহলে সেই দানব সন্জাত উন্নয়নকে নতুন করে মূল্যায়ন করতেই হবে। আমাদের দেশে অটোরিকশা থাকবে, মানুষও পাঁয়ে হাঁটবে। বিদ্যুৎ থাকবে, কিন্তু অপচয় হবে না। ব্যাটারি থাকবে, কিন্তু তার বিষাক্ত অবশেষ মাটি-পানিতে ছড়াবে না। কর্মসংস্থান থাকবে, কিন্তু পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য তার জন্য নেতিবাচক মূল্য দেবে না। এই ভাবনাগুলো বেশী করে ভাবার সময় এখন।
*প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন। E-mail: [email protected]

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.