বুধবার | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ১২ ফাল্গুন, ১৪৩২

শিরোনাম
নাটোরে জিয়া মঞ্চের ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন আখের অভাবে বন্ধ হলো নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে আখ মাড়াই সরকারি জমিতে থেকে অবৈধ ভবন উচ্ছেদ করল প্রশাসন নরনেসুমিতে শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পূর্ণ সভাপতি মানিক, সম্পাদক পিন্টু প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে কীটনাশক স্প্রে মেশিন এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে হবে,মাদকাসক্ত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না —— নব নির্বাচিত আব্দুল আজিজ এমপি আমার সাথে দেখা করবে না সমস্যা আছে” রেজাল্টের পর শিক্ষার্থীর আত্নহনন, শিক্ষকের স্কিনশর্ট ভাইরাল একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন একুশের চেতনায় গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার-প্রধানমন্ত্রী মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে লালপুরে জামায়াতের শোভাযাত্রা

নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসবেন: রাশেদা সুলতানা

নাটোর প্রতিনিধি :
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে আসবেন, আমরা সেই পরিবেশ তৈরি করেছি। যদি কেউ ভয় দেখান বা হুমকিধমকি দেন, তাহলে তিনি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবেন। আইন অনুসারে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর ২০২৩) নাটোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এতে জেলা প্রশাসক এবং নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আবু নাছের ভূঁঞা সভায় সভাপতিত্ব করেন।
নির্বাচন কমিশনার বলেন, আগে ভোটারদের হুমকি দেওয়া হলে হুমকিদাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল না। কমিশন নতুন আইন করেছে। আইনে হুমকিদাতাকে অপরাধী সাব্যস্ত করে শাস্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন।
নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব আইন সংশোধন করা হয়েছে। কোনো ভোটারকে ভোট প্রদানে বাধা প্রদান করলে বা ভয়ভীতি দেখালে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হবে। এ অবস্থা তৈরি হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন আয়োজন নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত আছে। সেনাবাহিনীও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত হবে। প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত নির্বাচনি আচরণবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, জুডিশিয়াল বিচারকের নেতৃত্বে ইলেকট্রোরাল কমিটিও নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করছে। এ কমিটি অভিযুক্ত প্রার্থীদের কারণ-দর্শাও নোটিশ করছে, সতর্ক করছে। নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনে অভিযুক্ত প্রার্থীদের আর্থিক দণ্ড প্রদান করবে, এমনকি প্রার্থিতাও বাতিল করতে পারে।
রাশেদা সুলতানা বলেন, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সুষ্ঠু সমন্বয়ের মাধ্যমে অবাধ ও সুন্দর নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব। সেই লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি, দেশের সব এলাকাতে গিয়ে সভা করছি, তাদের উদ্বুদ্ধ করছি।
পরে নির্বাচন কমিশনার জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
সভায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার জসিম উদ্দিন হায়দার, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবু নাছের ভূঁঞা, পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.