রবিবার | ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ | ৬ বৈশাখ, ১৪৩৩

শিরোনাম
জীবিত থাকতেই অবসর ও কল্যাণ তহবিলের টাকা চাইলেন প্রধান শিক্ষক নির্মাণাধীন পাওয়ার গ্রিড উপকেন্দ্রে দুর্ধর্ষ ডাকাতির রহস্য উদঘাটন, ডাকাতদলের ১৩ সদস্যকে গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে আইনজীবীর বিরুদ্ধে সরকারি রাস্তা জবরদখলের অভিযোগ পানিতে ডুবে আপন দুই ভাইয়ের মৃত্যু বড়াইগ্রামে ডাকাতির ঘটনায় ১৩ জন আটক, ট্রাকসহ লুন্ঠিত ইলেকট্রিক ব্যাটারি উদ্ধার চার মাস পর শুরু প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শিবির একটি স্বতন্ত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জেলা শিবির সভাপতি জাহিদ হাসান পদ্মার পাঙ্গাস বিক্রি হলো ২০ হাজার টাকায় লালপুরে তাপমাত্রা ৩৮ ডিগ্রি মৃদু তাপপ্রবাহে বিপর্যস্ত জনজীবন বড়াইগ্রামে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণ

ধর্ষণ মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড


লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরে শিশুকে ধর্ষণ মামলায় মো. শাহানুর (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ অক্টোবর ২০২৩) শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের মামলার ১৯ বছর পর নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।
রায় ঘোষণার সময় আদালতে অনুপস্থিত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মো. শাহানুর লালপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ১৯ বছর আগে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায়ে উল্লেখ করেন, সাক্ষ্যপ্রমাণে আসামি মো. শাহানুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ জন্য তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (৩০ বছর) ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ভুক্তভোগী ব্যক্তিকে দেওয়ারও নির্দেশ দেন বিচারক।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ১২ জুলাই রাত ৯টায় লালপুরের তরুণ মো. শাহানুর ১২ বছর বয়সী শারীরিক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ করে পালিয়ে যান। শিশুটির চিৎকারে মা-বাবা ছুটে এলে সে ঘটনার কথা তাঁদের জানান। শিশুটির বাবা ২৬ জুলাই নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মো. শাহানুরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন। আদালত মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে লালপুর থানাকে দায়িত্ব দেন। থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক মমিনুল ইসলাম তদন্ত শেষে একই বছরের ২২ আগস্ট আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ওই বছরই মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে আসে। কিন্তু সাক্ষীরা আদালতে আসতে গড়িমসি করেন। ১৯ বছরে মাত্র ৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন।
আদালতের বিশেষ সরকারি কৌঁসুলি আনিসুর রহমান বলেন, বাদী মামলাটি করার পর দীর্ঘদিন আদালতে হাজির হননি। অন্যান্য সাক্ষীদের সময়মতো আদালতে আনতে পারেননি, তবে চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণে আসামির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামি মো. শাহানুরকে দণ্ড দিয়েছেন। তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. উজ্জ্বল হোসেন বলেন, আদালতের আদেশ পাওয়ার পর আসামিকে গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.