রবিবার | ৩১ মে, ২০২৬ | ১৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩

শিরোনাম
জাতীয়তাবাদী চেতনার ভেতরে ও বাইরে মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া চামড়া শিল্পের সোনালী দিন ফিরে আসুক জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে লালপুরে ড্যাবের চিকিৎসাসেবা, উপকৃত ৮ শতাধিক মানুষ লালপুরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা লালপুরে রেলসেতুর নিচে মিলল যুবকের মরদেহ শহরের মোহ ত্যাগ করে পল্লীর শিশুদের সেবায় ডা. আব্দুর রহিম রামিসা হত্যার প্রতিবাদে লালপুরে মানববন্ধন ও র‍্যালি, ধর্ষক-খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি রূপপুর পারমাণবিকের স্বপ্ন থেকে বাস্তব যাত্রা: ড. জাহেদুল হাসানের একান্ত সাক্ষাৎকার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের মাঝে ঈদসামগ্রী বিতরণ

জাতীয়তাবাদী চেতনার ভেতরে ও বাইরে মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া

-প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম।
আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু অকুতোভয় মহান দেশপ্রেমিক মানুষ আছেন, যাঁরা জীবন ও মৃত্যু দলীয় সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় স্মৃতির অংশ হয়ে গেছেন। তাঁরা কেবল কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা নন, শুধু কোনো রাষ্ট্রীয় পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিই নন, বরং সময়ের প্রবাহে তাঁরা জাতির চেতনার ভেতরে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট মরহুম জিয়াউর রহমান হলেন সেই বিরল ব্যক্তিত্বদের একজন। তাঁর রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে বিতর্ক আছে, তাঁর শাসনামল নিয়ে সমালোচনা আছে, তাঁর সিদ্ধান্ত নিয়ে মতভেদ আছে, তবুও তাঁকে অস্বীকার করা যায় না। কারণ, তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠন, জাতীয় পরিচয়, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও জনমনের এক গভীর বাস্তবতা হিসেবে ইতিহাসে ঠাঁই করে নিয়েছেন।
৩০ মে, শনিবার ২০২৬। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী। আমাদের জাতীয় জীবনে দিনটি খুবই শোকাবহ। ১৯৮১ সালের ৩০ মে’র এই কালরাতে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে ঘুমন্ত অবস্থায় দেশি-বিদেশি ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের ক্রীড়নক কিছু বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন জিয়াউর রহমান ।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদৎবার্ষিকীতে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন আবার সামনে চলে আসে। কেন একজন নেতা মৃত্যুর ৪৫ বছর পরও এত আলোচিত? কেন তাঁর নাম এখনও রাজনৈতিক আবেগ, বিতর্ক, সংগ্রাম ও স্মৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে? কেন তাঁকে ঘিরে এখনও মানুষের মধ্যে এমন তীব্র অনুভূতি কাজ করে? এর উত্তর খুঁজতে হলে কেবল জাতীয়তাবাদী রাজনীতির ভেতরে তাকালে হবে না; বরং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বাস্তবতার গভীরে প্রবেশ করতে হবে।
১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রামের সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর ট্র্যাজেডি। একজন মুক্তিযোদ্ধা, সেনাপ্রধান ও রাষ্ট্রপতির মৃত্যু শুধু একটি ব্যক্তির মৃত্যু ছিল না, বরং তা ছিল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ধারাবাহিকতায় এক বড় ধাক্কা। কিন্তু ইতিহাসের অদ্ভুত
বাস্তবতা হলো, জিয়াউর রহমান মৃত্যুর পরও রাজনৈতিকভাবে হারিয়ে যাননি। বরং তাঁর অনুপস্থিতিই তাঁকে আরও বেশি উপস্থিত করেছে। এখানেই মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া শব্দটির রাজনৈতিক ও সামাজিক তাৎপর্য।
জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনার ভেতরে জিয়ার অবস্থান অনন্য। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি আজও বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তি। যে দলটি এখন বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। তাঁর সুযোগ্য জ্যেষ্ঠ সন্তান, বগুড়ায় জিয়াউর রহমানের পৈত্রিক ভিটা
নিভৃতপল্লী বাগবাড়ির ভূমিপুত্র বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বর্তমানে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম প্রধান মুখ। বিএনপির রাজনীতি, সংগঠন, আদর্শ, এমনকি আবেগের কেন্দ্রেও রয়েছেন জিয়াউর রহমান। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র, স্বনির্ভর
বাংলাদেশ কিংবা জাতীয় সার্বভৌমত্ব, এসব রাজনৈতিক স্লোগানের পেছনে তাঁর চিন্তার ছাপ স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান।
কিন্তু তাঁর প্রভাব কেবল বিএনপির ভেতরে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশের বহু মানুষ, যারা সক্রিয়ভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত নন, তাঁর কিছু বৈশিষ্টিকে এখনও সম্মানের সঙ্গে স্মরণ করেন। বিশেষ করে তাঁর ব্যক্তিগত সাহস, রাষ্ট্র পরিচালনায় কর্মচাঞ্চল্য, গ্রামমুখী উন্নয়ন চিন্তা এবং
রাজনৈতিক বাস্তববাদ তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছে একটি স্বতন্ত্র অবস্থান দিয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তাঁর ভূমিকা তাঁকে ইতিহাসে আলাদা মর্যাদা দিয়েছে। ১৯৭১ সালের সেই ভয়াবহ সময়ে, যখন পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতায় দেশ বিপর্যস্ত, তখন কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করে তিনি লাখো মানুষের মনে সাহসের সঞ্চার করেছিলেন। ইতিহাসের বিশ্লেষণ ও রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু সাধারণ মানুষের আবেগে সেই ঘোষণা আজও একটি সাহসী প্রতিরোধের প্রতীক। এখানেই তিনি দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে জাতীয় স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠেন।
যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশ ছিল বিধ্বস্ত। অর্থনীতি ভেঙে পড়েছিল, প্রশাসনিক কাঠামো দুর্বল ছিল, রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল চরমে। সেই প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের চেষ্টা করেন। তাঁর উন্নয়ন দর্শনের কেন্দ্র ছিল গ্রামবাংলা। খাল খনন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্যে
স্বয়ংসম্পূর্ণতা, পরিবার পরিকল্পনা, যুব উন্নয়ন, এসব কর্মসূচি তাঁকে একজন কর্মমুখী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে পরিচিতি দেয়।
বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে এখনও অনেক প্রবীণ মানুষ জিয়ার সময়ের উন্নয়নমূলক কাজের স্মৃতি তুলে ধরেন। কেউ বলেন, জিয়ার আমলে খাল কাটা হয়েছিল; কেউ বলেন, তখন মাঠে কাজের উৎসাহ ছিল; আবার কেউ বলেন, প্রশাসনে একটা গতি ছিল। এসব স্মৃতি কেবল দলীয় প্রচারণা নয়; বরং সাধারণ মানুষের অভিজ্ঞতার অংশ। এ কারণেই জিয়াউর রহমানের প্রভাব জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বাইরেও বিস্তৃত।
তাঁর রাজনৈতিক দর্শনের সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। তিনি ভাষাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের পাশাপাশি ভূখণ্ড, ধর্মীয় ঐতিহ্য ও রাষ্ট্রীয় স্বাতন্ত্র্যকে গুরুত্ব দিয়ে একটি নতুন জাতীয় পরিচয় নির্মাণের চেষ্টা করেন। তাঁর সমর্থকদের মতে, এটি ছিল স্বাধীন
বাংলাদেশের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ একটি রাষ্ট্রদর্শন। আজকের বাংলাদেশে নেতৃত্বের যে সংকট অনুভূত হয়, সেটিও জিয়াকে নতুন করে আলোচনায় আনে।
মানুষ এমন নেতৃত্ব খোঁজে, যেখানে ব্যক্তিগত সাহস, কর্মদক্ষতা ও জাতীয় স্বার্থের প্রতি অঙ্গীকার থাকবে। জিয়াউর রহমানের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা তাঁকে সেই প্রতীকে পরিণত করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রের সাহস, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দৃঢ়তা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় সক্রিয়তা তাঁকে একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি বানিয়েছে।
তবে জিয়াউর রহমানকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে একপাক্ষিক হওয়া উচিত নয়। তাঁর শাসনামলে সামরিক প্রভাব ছিল, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমনের অভিযোগ ছিল, সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান মোকাবিলায় কঠোর ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছিল। ইতিহাসের প্রতি সৎ থাকতে হলে এসব প্রশ্নও আলোচনায় আনতে হবে। কিন্তু একইসঙ্গে এটিও সত্য যে, তিনি বহুদলীয় রাজনীতি পুনঃপ্রবর্তন করেছিলেন এবং নতুন রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেছিলেন।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বিষয় লক্ষণীয়। তা হলো,অনেক নেতা জীবদ্দশায় জনপ্রিয় থাকলেও মৃত্যুর পর তাঁদের প্রভাব দ্রুত কমে যায়। কিন্তু জিয়াউর রহমানের ক্ষেত্রে উল্টো চিত্র দেখা যায়। মৃত্যুর পরও তিনি রাজনৈতিকভাবে প্রাসঙ্গিক থেকেছেন। নতুন প্রজন্মের মধ্যেও তাঁর প্রতি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, রাজনৈতিক বিতর্ক কিংবা ইতিহাসভিত্তিক আলোচনা, সব জায়গায় তাঁর নাম ঘুরেফিরে আসে।
এর একটি বড় কারণ হলো, তিনি কেবল ক্ষমতার রাজনীতির মানুষ ছিলেন না। তিনি একটি রাজনৈতিক কল্পনার প্রতিনিধিও ছিলেন। তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন, তিনি বাংলাদেশকে আত্মনির্ভর ও মর্যাদাবান রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। সেই স্বপ্নের অনেক কিছু বাস্তবায়িত হয়নি, কিন্তু স্বপ্নটি মানুষের মনে রয়ে গেছে।
তাঁর মৃত্যুর ঘটনাটিও তাঁকে এক ধরনের কিংবদন্তির অবস্থানে নিয়ে গেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে মৃত্যুকে জয় করা একজন সেনা কর্মকর্তা শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে নিহত হন। এই ট্র্যাজিক বাস্তবতা মানুষের মনে গভীর আবেগ তৈরি করেছে। ইতিহাসে বহু নেতার জনপ্রিয়তা তাঁদের মৃত্যুর ধরন দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। জিয়ার ক্ষেত্রেও সেটি সত্য।
জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার আজও জীবন্ত। তাঁর সহধর্মিণী দেশনেত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর পুত্র বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান বর্তমানে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অন্যতম মুখ। অর্থাৎ, জিয়ার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার কেবল ইতিহাসে সীমাবদ্ধ নয়। তা এখনও বাংলাদেশের বাস্তব উন্নয়নমুখী রাজনীতির অংশ।
এখানে কেউ কেউ প্রশ্ন করেন, জিয়াউর রহমান কি শুধু বিএনপির নেতা, নাকি বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ? বাস্তবতা হলো, তাঁকে শুধু দলীয় ফ্রেমে বন্দি করা সম্ভব নয়। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক বিকাশের এমন এক অধ্যায়, যাকে বাদ দিয়ে দেশের আধুনিক রাজনৈতিক ইতিহাস লেখা অসম্ভব।
আজকের প্রজন্মের কাছে তাঁর জীবন থেকে বড় শিক্ষা হতে পারে সংকটের সময়ে নেতৃত্বের সাহস। তিনি কখনও নিশ্চিন্ত রাজনৈতিক পরিবেশে নেতৃত্ব দেননি। যুদ্ধ, অভ্যুত্থান, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ষড়যন্ত্র, সবকিছুর মধ্য দিয়েই তাঁকে এগোতে হয়েছে। তবুও তিনি একটি রাষ্ট্রকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেছেন। নেতৃত্বের এই বাস্তববাদী দিক আজও প্রাসঙ্গিক।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজন যত গভীর হচ্ছে, ততই জাতীয় নেতাদের নিরপেক্ষ মূল্যায়ন কঠিন হয়ে উঠছে। কিন্তু একটি জাতি যদি তার ইতিহাসকে কেবল দলীয় চশমায় দেখে, তাহলে সেই জাতি নিজের ভবিষ্যৎ নির্মাণেও দুর্বল হয়ে পড়ে। জিয়াউর রহমানকে নিয়েও তাই প্রয়োজন আবেগের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন। তাঁর অর্জন যেমন স্মরণ করতে হবে, তেমনি তাঁর সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করতে হবে।
ফিবছর ৩০ মে তাই শুধু একটি স্মরণীয় দিবস ভাবলে ভুল করা হবে। কারণ, এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস পুনর্বিবেচনার দিনও। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চেতনার ভেতরে যেমন জীবন্ত, তেমনি তার বাইরেও বাংলাদেশের সামাজিক স্মৃতি, রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক স্থায়ী অংশ।
মানুষের মৃত্যু হয়, কিন্তু কিছু নাম মৃত্যুকে অতিক্রম করে ইতিহাসের ভেতরে বেঁচে থাকে। শৈশবের যার ডাকনাম ছিল কমল, পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেই বিরল নামগুলোর একটি। তাঁর জীবন বাংলাদেশের সংগ্রামের ইতিহাস, তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ট্র্যাজেডির ইতিহাস, আর তাঁর স্মৃতি বাংলাদেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতার ইতিহাস। তাই তাঁর শাহাদৎবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানিয়ে নিদ্বিধায় বলা যায়, তিনি কেবল অতীতের রাষ্ট্রপতি নন; তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক চেতনায় এক মৃত্যুঞ্জয়ী উপস্থিতি।
* প্রফেসর ড. মো: ফখরুল ইসলাম: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের প্রফেসর ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডীন। E-mail: [email protected]

স্বত্ব: নিবন্ধনকৃত @ প্রাপ্তিপ্রসঙ্গ.কম (২০১৬-২০২৬)
Developed by- .::SHUMANBD::.